বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:২৯ এএম
বিশেষ সংবাদদাতা
আজ হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ১৫তম আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রবীমা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন বীমা শিল্পের সঙ্গে আমাদের একটি পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে।আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বীমা কোম্পানিতে চাকরির সুবাদে আমরা বীমা পরিবারের একজন সদস্য।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন যে, ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। বঙ্গবন্ধু তখন মন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৬ সালে তিনি মন্ত্রিত্ব ত্যাগ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর মার্শল ল জারি হয় আর ১২ অক্টোবর জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়। দীর্ঘ ১৪ মাস কারাগারে থাকার পর ১৯৬৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি লাভ করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, তখন সব দল নিষিদ্ধ ছিল। রাজনীতিও নিষিদ্ধ ছিল। সেই সময় তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির আঞ্চলিক শাখার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন । বলতে গেলে তার জীবনের প্রথম চাকরি জীবন শুরু হয়। আমাদের জন্য এটুকু সৌভাগ্য ছিল যে, আমরা আমার বাবাকে খুব আপন করে কাছে পাই। যদিও এই সুখ আমাদের খুব বেশিদিন টেকেনি। ১৯৬২ সালে তিনি আবার গ্রেফতার হন।
তিনি আরও বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে অন্য ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু যেমন দায়িত্ব পালন করছিলেন বীমা ক্ষেত্রেও তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু ইন্স্যুরেন্সকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ব্যক্তি জীবনে প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঝুঁকি থাকে সেই ঝুঁকি কাটানোর জন্য বীমা প্রচলন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু বীমা কোম্পানিতে কাজ করেছিলেন বলেই তার নিজের একটা অভিজ্ঞতা ছিল। এ জন্য বীমার উন্নয়নে তিনি বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ঝুঁকি কমিয়ে আর্থিক নিশ্চয়তা প্রদান করে বীমা। সেই বীমা কোম্পানিগুলো মানুষের সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতিতে নিরাপত্তা দেয়। তাছাড়া এটা তহবিল সৃষ্টিতেও সহযোগিতায় করে। ধনী-দরিদ্র সর্বশেষে সবার জন্য বীমাটা খুব প্রয়োজন।
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বীমা শিল্পের গুরুত্ব অনুধাবনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখন পুনরায় সরকার গঠন করে তখন এই খাতের উন্নয়ন এবং যুগোপযোগী করে বীমাকে গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করি । ১৯৩৮ সালের বীমা আইনকে যুগোপযোগী করে ২০১০ সালে নতুনভাবে আইন করি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ দেশের মানুষের জীবন মান যেন উন্নত হয় সেজন্য আমরা ডেল্টাপ্ল্যান গ্রহণ করেছি। ২০৪১ সালের মধ্যে এ দেশের মানুষ যেন উন্নত জীবন পায় সে লক্ষ্য মাথায় রেখে আমরা কাজ করছি। বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী ১৫তম আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রবীমা সম্মেলনের উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, শফিকুর রহমান পাটোয়ারী, ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন। অধ্যাপক রবিনা হামিদ প্রমুখ।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেন।
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বাছাইকৃত উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা পর... বিস্তারিত
-নিজাম উদ্দিন আহমদ, চেয়ারম্যান বিশেষ প্রতিবেদন দেশের বীমা শিল্পের বর্তমান এই অবস্থার জন্য বীমা ব... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতটি লাইফ বীমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন গ্রাহকের ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার বীমা দাবি ... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের বৃহত্তর ... বিস্তারিত
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বীমা গ্রাহকের দাবীর চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা প... বিস্তারিত
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বাছাইকৃত উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা পর... বিস্তারিত
-নিজাম উদ্দিন আহমদ, চেয়ারম্যান বিশেষ প্রতিবেদন দেশের বীমা শিল্পের বর্তমান এই অবস্থার জন্য বীমা ব... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতটি লাইফ বীমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন গ্রাহকের ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার বীমা দাবি ... বিস্তারিত