শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ০৪:১০ এএম
খেলাপি ঋণ থেকে মুক্তি পেতে আইনি প্রক্রিয়া কিছু পরিবর্তন আনা হবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, ঋণ গ্রহীতা কোম্পানির পরিচালক, চেয়ারম্যান তারা সবাই পারসোনাল গ্যারান্টি দেবে। এই সমস্ত গ্যারান্টিগুলো আইনি প্রক্রিয়ায় শক্তিশালী করা হবে । কেউ যদি ঋণ পরিশোধে ফেল করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা অ্যাকশন নিতে পারবো। এগুলো করতে পারলে খেলাপি ঋণ বাড়বে না।
মঙ্গলবার শেরে বাংলানগর এনইসি মিলনায়তনে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের কাছে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আইনি প্রক্রিয়ার
দুর্বলতার কারণেই খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি পেয়েছিল উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন খেলাপি ঋণ বাড়ার কোনো সুযোগ থাকবেনা। কাস্টমার দায়ী থাকলে তার বিরুদ্ধ ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইভাবে ব্যাংকের কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিলে খেলাপি ঋণ বাড়বে না।
মন্ত্রী আরো বলেন, যারা ভালো ঋণগ্রহীতা তাদের আবারো ঋণ দেয়া হবে। আর যারা ভালো নয়, তাদেরকে ঋণ দেয়া হবে না।
চার ব্যাংকের সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রতি তিন মাস পর পর চার ব্যাংকের সাথে বৈঠক করা হবে বলেও জানান অর্থমন্ত্রী। এতে এলসি’র ঝামেলা এবং ব্যালেন্স অব পেমেন্টের ক্ষেত্রে যেসব অসুবিধা তৈরি হয়েছে তা অচিরেই দূর হবে বলে মনে করেন তিনি। এসময় মন্ত্রী আবারো বলেন, ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি পূরণে আর কোন অর্থ দেয়া হবে না। মূলধন ঘাটতি পূরণে ব্যাংকগুলোকে লাভে আসতে হবে এবং নিজেদেরই তা পূরণ করতে হবে।
ব্যাংকিং খাত ঠিক করতে কমিশন গঠন করা হবে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কমিশন নিয়ে অনেক আলাপ-আলোচনা হয়েছে। এখন আমরা ঘর গোচাচ্ছি, আইন ঠিক করছি। তারপর যদি আমরা ব্যর্থ হই তাহলে কমিশন করব। কমিশন তখন খুজে বের করবে, কেন আমরা ব্যর্থ হচ্ছি। এখনো তো আমরা এগুলো করি নি। তাই আগে এগুলো করি। তারপর প্রয়োজনে একাধিক কমিশন করব।
কামাল আরো বলেন, চারটি রাষ্ট্রায়াত্ব ব্যাংক থেকে আমরা কর্মপরিকর্পনা নিয়েছি। যাতে করে ব্যাংকের রেভিনিউ বৃদ্ধি পায়। দিন শেষে আমাদের রেভিনিউ প্রফিট যেন বৃদ্ধি পায় এটা প্রধান উদ্দেশ্য। কারণ এই চারটি ব্যাংক অর্থনীতির বিশাল এলাকা কাভার করে থাকে। যেখানে ব্যাংকের একাধিক শাখা আছে সেগুলো স্থানান্তর করা হবে, যাতে করে এক জনের কাস্টমার আরেক জন নিয়ে যেতে না পারে। আমরা ব্যাংকে হেলদি কমপিটিশন দেখতে চাই। তিন মাস পর পর চারটি ব্যাংক নিয়ে সভা করা হবে।
তিনি বলেন, আমাদের মূল্যায়ন আমরাই করবো। আমরা চারটি ব্যাংকের প্রিন্টিং স্টেটমেন্ট কোয়ার্টালি দেবো। আমরা বিশ্বাস করি এদেশের মানুষের নিকট আমাদের দায়বদ্ধতা আছে সেখান থেকে আমরা কাজ করবো। যে ক্ষেত্রেই পরিবর্তন করার দরকার সেখানে পরিবর্তন করা হবে। যেখানে নতুন করে আইন করা দরকার সেখানে নতুন আইন করা হবে। এমনকি এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে বোনাসের যে অযৌক্তিক ব্যবস্থা রয়েছে প্রয়োজনে সেক্ষেত্রেও নতুন আইন করা হবে। কে কতটা বোনাস নেবে, কিসের ভিত্তিতে বোনাস নেবে। বোনাস নেয়া তো কিছু ইনডিকেটসের উপর নির্ভর করে। সেই ইনডিকেটর্সগুলো বসিয়ে দেওয়া হবে। আমরা এই কাজগুলোই করছি। এই কাজগুলো আগে করার সুযোগ পায়নি।
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: এবি ব্যাংক পিএলসি.-এর পাগলা শাখা সম্প্রতি সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকে উদ্বোধন করা হয়ে... বিস্তারিত
সেকান্দর আলী: এবি ব্যাংক পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন আরিফ বিলà... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক// ১২ কোটি পাওনার বিপরীতে সাউথইস্ট ব্যাংকের দায়ের করা মামলায়— চট্টগ্রাম অর্থঋà¦... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক// অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রস্তাবিত ‘থ্রি জিরোস’ লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি-এর স্বতন্ত্র পরিচালক ও চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব ... বিস্তারিত
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেটে আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২২৩তম শাখার কার্য... বিস্তারিত
... বিস্তারিত
PRICE SENSITIVE INFORMATION of Continental Insurance ... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিà¦... বিস্তারিত
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: দ্রুত বীমা দাবী পরিশোধের লক্ষ্য নিয়ে পপুলার লাইফের চলমান বিশেষ কার্যক্রমের অংà¦... বিস্তারিত