গ্রাহকের আস্থা ও ভরসার প্রতীক মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি

Bank Bima Shilpa    ০২:৩০ পিএম, ২০২৬-০৯-০৮    355


গ্রাহকের আস্থা ও ভরসার প্রতীক মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি

-নিজাম উদ্দিন আহমদ, চেয়ারম্যান
বিশেষ প্রতিবেদন

দেশের বীমা শিল্পের বর্তমান এই অবস্থার জন্য বীমা ব্যবস্থাপনায় যারা নিয়োজিত তারাই দায়ী। এই জন্য ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে সিইও’র নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়ী। ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ মাঠ পর্যায়ের বীমা কর্মকর্তাদের নিয়ে সাংগঠনিক টিমের মাধ্যমে কোম্পানীর জন্য প্রিমিয়াম আহরণ করে ব্যবসা পরিচালনা করেন। কারণ আমি যখন প্রথমেই একটি কোম্পানীর লাইসেন্স নেব, তখনই আমি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বিশেষ করে সিইওকে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকি যে, আমাদের যারা পলিসি হোল্ডার তাদের কিভাবে দাবির টাকা পরিশোধ করব বা কিভাবে আমাদের কার্যক্রম এর মাধ্যমে পলিসি হোল্ডারদের লাভবান করব, আমরা যারা বিনিয়োগকারী তারা এবং শেয়ার হোল্ডার লাভবান হব। আমি মোঃ আবুল বাশার হাওলাদার, সম্পাদক, ব্যাংক বীমা শিল্প পত্রিকা। লাইফ বীমা কোম্পানীর বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে কথাগুলো অকপটে স্বীকার করেন মেঘনা লাইফের চেয়ারম্যান জনাব নিজাম উদ্দিন আহমদ। তিনি  বলেন বিগত সরকারের আমলে বীমা শিল্পের কর্মকর্তারা এটার প্রতি দৃষ্টি দেয় নাই। যার ফলে বীমা কোম্পানীর যে প্রিমিয়াম আমরা আহরণ করেছি, সে অর্থ কিভাবে রাখতে হবে কিভাবে পলিসি হোল্ডারের টাকা ফেরত দিতে হবে, সে দিক নির্দেশনা অনুযায়ী বীমা কোম্পানী চলে নাই। বিভিন্ন কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ফ্রি স্টাইলে কোম্পানী চালিয়েছে। যেহেতু লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী প্রথম খোলার সাথে সাথে, যেভাবে ন্যায় নীতির বাইরে গিয়ে কোম্পানীর টাকা খরচ করা হয়েছে তা আসলে ঠিক হয়নি। পলিসি হোল্ডারের টাকা দিতে হবে, এ টাকা যে পলিসি হোল্ডার এর টাকা তা কখনও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ চিন্তা করেনি। পলিসি হোল্ডারের জন্য অর্থ না রেখে বেশি সংখ্যক অর্থ খরচ করার ফলে কোম্পানীগুলো ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যার ফলে পলিসি হোল্ডারকে পরিশোধ করার মতো টাকা কোম্পানীতে নেই। তার মানে কোম্পানীগুলো পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষন না করে তারা কোম্পানীর টাকা ইচ্ছে মতো খরচ করেছে। যার ফলে বাংলাদেশে কিছু সংখ্যক কোম্পানী ছাড়া আর কোম্পানীগুলো এভাবেই পরিচালিত হয়েছিল লাইফ ইন্স্যুরেন্স খাতে। তবে যে সব কোম্পানীর বয়স বেশি, যেমন আমার বলতে আপত্তি নেই মেঘনা লাইফও নিয়মতান্ত্রিকভাবে  পরিচালিত হয়নি। এজন্য পরিচালনা পর্ষদ দায়ি নয়, এজন্য দায়ি সিইও’র নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ দায়ী। কারণ বোর্ডের যারা সদস্য তারা অর্থ বিনিয়োগ করেছেন তারা কোম্পানী থেকে কিছু লাভ পাবেন এটাই বাস্তব। কোন কোন কোম্পানীর বোর্ডের সদস্যরা যদি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উপর হস্তক্ষেপ করে থাকে সেজন্য তারা দায়ী । কিন্তু মেঘনা লাইফ কখনও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উপর হস্তক্ষেপ করেন নাই। মেঘনা লাইফ কিছুটা ভুলভাবে পরিচালিত হয়েছে। যারা কোম্পানী পরিচালনা করেছেন তারা এটাকে সত্যিকারভাবে পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষন করে কোম্পানী পরিচালনা করেন নাই। তারা প্রচুর গাড়ী কিনেছেন ,অফিস করেছেন, বেআইনিভাবে কোম্পানী পরিচালনা করেছেন। পলিসি হোল্ডারদের স্বার্থ সংরক্ষন না করে ব্যবসা করেছেন বলেই ইন্স্যুরেন্সের এই অচল অবস্থা। আমরা যারা ইন্স্যুরেন্স পরিচালনা করছি তারা বিব্রত বোধ করছি । ৩০ বছর এর ভিতর থেকে বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছর এ দেশের বীমা শিল্প বলেন অন্যান্য অর্থনৈতিক  সেক্টর বলেন বিভিন্ন যায়গায় বিভিন্ন কারণে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।  বীমা খাত সম্পর্কে  তিনি আরো বলেন আপনারা দেখেছেন যে,    দেশে অনেকগুলো বীমা কোম্পানী থাকা সত্বেও বিগত সরকার ঐ সময়  রাজনৈতিক বিবেচনায় একের পর এক বীমা কোম্পানীর লাইসেন্স দিয়েছেন, যার ফলে এখন বীমা কোম্পানীগুলো চরম অস্থিরতায় ভুগছে। বর্তমানে দেশে ৩৬ টি লাইফ বীমা রয়েছে যার মধ্যে অধিকাংশ বীমা কোম্পানীই বর্তমানে চলার মতো অবস্থায় নেই। অন্যদিকে বীমা শিল্পের প্রতি বিগত ১৫ বছরে সরকারের তেমন কোন উল্ল্যখযোগ্য অবদান ছিলনা। যার ফলে বলতে দ্বিধা নেই যে, বিগত দিনগুলোর কার্যক্রম এর ফলে লাইফ বীমার প্রতি মানুষের আস্থা ছিলনা। দেশে নতুন সরকার আসার পরে বীমা শিল্পের প্রতি তারা বিভিন্নভাবে নজর দিয়েছেন। ইতিপূর্বে বাজেট অধিবেশনসহ বিভিন্ন সময় সংসদে কিংবা সংসদের বাহিরে এই বীমা শিল্প নিয়ে সরকারকে ইতিবাচক আলোচনা করতে দেখেছি। আইডিআরএ এর নবাগত চেয়ারম্যান আসছেন এবং বীমা শিল্পের সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করছেন। আপনারা দেখতে পেয়েছেন বিগত ১৫ বছরের সরকারের কার্যক্রম । যেহেতু লাইফ বীমার কোটি কোটি টাকা রাখা হয় ব্যাংকে , লিজিং কোম্পানীতে এবং শেয়ারে। সেখান থেকে লাভ করে আমাদের পলিসি হোল্ডারকে দিতে হয়। অনেক ব্যাংক বন্ধ হয়ে গেছে, টাকা দিতে পারছেনা । বিভিন্ন বীমা কোম্পানীর টাকা ব্যাংকে পরে আছে। মেঘনা লাইফের টাকা বিভিন্ন ব্যাংকে পরে আছে। সেখান থেকে টাকা উত্তোলন করা যাচ্ছেনা। বিগত আইডিআরএ এর চাপে আমাদের শেয়ার কিনতে হয়েছে। সে শেয়ারে অনেক লস হয়েছে।  বিগত সরকারের কার্যক্রম এর ফলে বীমা কোম্পানীগুলো সমস্যায় পরেছে। আপনারা হয়ত অনেকেই অবগত আছেন আমি ইতিপূর্বে বিএনপির একজন সংসদ সদস্য ছিলাম। বিগত সরকারের রোষানলে পরে আমাকে এবং আমার ছেলেকে আর্থিক এবং বিভিন্ন দিক থেকে অনেক হেনস্থার স্বীকার হতে হয়েছে। বীমা শিল্পের নানান  অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়েও আমাকে অনেক হোচট খেতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়িনি। শান্ত সমুদ্রে যেমন দক্ষ নাবিক হওয়া যায়না, ঠিক তেমনি নানান চড়াই উৎরাই পেরিয়ে মেঘনা লাইফ এবং কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সকে গ্রাহকের আস্থা ও ভরসার প্রতীক হিসেবে দাড়া করাতে সক্ষম হয়েছি। যার ফলশ্রুতিতে আজ রাজধানী ঢাকার মতিঝিলের মত জায়গায় মাথা উচু করে একটি সু- উচ্চ ভবন তৈরী করতে সক্ষম হয়েছি।  আপনারা অবগত আছেন মেঘনা লাইফ সততা, নিষ্ঠার সহিত পলিসি হোল্ডারের সাথে কাজ করে যাচ্ছে, নিয়মিত বীমা দাবী পরিশোধ সহ প্রযুক্তির উন্নতি করে নতুনভাবে আমরা মেঘনা লাইফকে সাজাচ্ছি।
ভালো মন্দ মিলিয়ে বিভিন্ন অবস্থার মধ্যে আপনারা আজ ৩০ বছর ধরে আমাদের সাথে আছেন। এ জন্য পলিসি হোল্ডার এবং শেয়ার হোল্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনারা জেনে আনন্দিত হবেন যে, মেঘনা লাইফ পিএলসির বর্তমানে মোট সম্পদ ১,৭৬৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, লাইফ ফান্ড ১,৫৭৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা, বিনিয়োগ থেকে আয় ৬৫ লাখ টাকা, মোট প্রিমিয়াম ২,৮২ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, নীট প্রিমিয়াম ২,৮১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা, অন্যান্য আয় ২,৯১ কোটি টাকা, এ্যাকচুয়ারিয়াল ভ্যালুয়েশন অনুযায়ী সারপ্লাস ৮৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা অর্জিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৪২ কোটি ৪১ লাখ টাকা। তাছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ৩২৫ টি শাখার মাধ্যমে বাংলাদেশে লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালিত করে যাচ্ছে। মেঘনা লাইফ ২০২৬ সালে বীমা দাবী পরিশোধ করেছে ২৮৭ কোটি টাকা। একই সময় ম্যাচিউরিটি টাকা প্রায় ৯৮ শতাংশ পরিশোধ করা হয়েছে।
বিভিন্ন কারণে প্রথম ৯ বছরে আমরা ডিভিডেন্ড দিতে পারি নাই । তারপর প্রতিবছর আমরা মিনিমাম ১৫ শতাংশর বেশি ডিভিডেন্ড দেয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা সম্মানিত শেয়ার হোল্ডারদের এ পর্যন্ত অর্থ্যাৎ ২০২৫ সাল পর্যন্ত ২০৮ শতাংশ নগদ এবং ১৯৫ শতাংশ ষ্টক লভ্যাংশ প্রদান করতে সক্ষম হয়েছি।
বর্তমানে মেঘনা লাইফ পিএলসি নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং বোর্ডে নতুন সদস্য আসছেন তারা যথেষ্ট সচেষ্ট। কোম্পানী বোর্ডের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী চলছে। আশা করি অতীতের ভুল থেকে সংশোধন করে এবং শিক্ষা নিয়ে পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ সংরক্ষন করে কোম্পানী চলবে। কোম্পানীর যে সম্পদ আছে তা দিয়েও কোম্পানী সুন্দরভাবে পরিচালিত হতে সক্ষম। বিভিন্ন জেলায় কোম্পানীর নিজস্ব ১০ টি ভবন রয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় আমাদের যথেষ্ট সম্পদ রয়েছে। সেই সম্পদ থেকে আমাদের আয় হচ্ছে। কোম্পানীর নিজস্ব অফিস রয়েছে, অফিস পরিচালনার জন্য ভাড়া দিতে হচ্ছেনা। অতীতের ভুলত্রুটি সংশোধন করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। নতুন প্রযুক্তির সাথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। মেঘনা লাইফের পলিসি হোল্ডারদের টাকা পরিশোধ করার মতো যথেষ্ট সম্পদ মেঘনা লাইফের রয়েছে। তাই আমি মনে করি মেঘনা লাইফ গ্রাহকের আশা ও ভরসার প্রতীক।
ঐতিহ্যবাহী দ্বীপ জেলা ভোলার বাতিঘর হিসেবে খ্যাত, জনাব নিজাম উদ্দিন আহমেদ, নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের মনোনীত প্রতিনিধি নিজাম উদ্দিন আহমেদ মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-র পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ব্যক্তিত্ব এবং এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান। ১৯৭১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং এলএলবি (খখই) সম্পন্ন করেন। মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-তে তাঁর ভূমিকার পাশাপাশি, জনাব আহমেদ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি’র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি মেঘনা লাইফ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড-এর পরিচালক এবং নিজাম হাসিনা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের মধ্যে রয়েছে ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক এবং বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে ছিলেন। তাছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র একজন সংসদ সদস্য হিসেবেও ইতিপূর্বে দায়িত্ব পালন করেছেন। দূরদর্শী চিন্তাভাবনা, নিষ্ঠা এবং বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে দক্ষতার জন্য পরিচিত। জনাব আহমেদ নিজ শহর ভোলা এবং রাজধানীর উভয় স্থানেই মসজিদ, মাদ্রাসা ও কলেজসহ অসংখ্য দাতব্য প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। জনাব আহমেদ তাঁর অনাড়ম্বর জীবনযাপন এবং গভীর বুদ্ধিমত্তার জন্য সমাদৃত। তিনি ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে নৈতিকতা বজায় রাখেন এবং সততা, আন্তরিকতা ও উচ্চ নৈতিক মানদন্ডকে সর্বদা গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। ব্যসায়িক প্রয়োজনে তিনি যুক্তরাজ্য, কানাডা, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, জাপান, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, কোরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন।


রিটেলেড নিউজ

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ

Bank Bima Shilpa

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ ... বিস্তারিত

পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Bank Bima Shilpa

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বাছাইকৃত উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা পর... বিস্তারিত

বীমা গ্রাহকের ১৪ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ  করল আইডিআরএ

বীমা গ্রাহকের ১৪ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করল আইডিআরএ

Bank Bima Shilpa

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতটি লাইফ বীমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন গ্রাহকের ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার বীমা দাবি ... বিস্তারিত

ন্যাশনাল লাইফের ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার বীমা দাবী পরিশোধ

ন্যাশনাল লাইফের ৭ কোটি ২৫ লক্ষ টাকার বীমা দাবী পরিশোধ

Bank Bima Shilpa

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের শীর্ষস্থানীয় জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্সের বৃহত্তর ... বিস্তারিত

পপুলার লাইফের বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পপুলার লাইফের বীমা দাবীর চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Bank Bima Shilpa

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বীমা গ্রাহকের দাবীর চেক হস্তান্তর ও ব্যবসা প... বিস্তারিত

এক ঘণ্টায় দুই গ্রাহকের ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করলো ন্যাশনাল লাইফ

এক ঘণ্টায় দুই গ্রাহকের ৩৬ লাখ ৮৩ হাজার টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করলো ন্যাশনাল লাইফ

Bank Bima Shilpa

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: এক ঘণ্টার মধ্যে দুই গ্রাহকের মেয়াদোত্তীর্ণ বীমা দাবির বিপরীতে মোট ৩৬ লাখ ৮৩ হাজ... বিস্তারিত

সর্বশেষ

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ

Bank Bima Shilpa

প্রাইম ইসলামী লাইফ এর প্রতিবাদ ... বিস্তারিত

পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

পপুলার লাইফের ব্যবসা পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Bank Bima Shilpa

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স পিএলসি এর বাছাইকৃত উন্নয়ন কর্মকর্তাদের নিয়ে ব্যবসা পর... বিস্তারিত

বীমা গ্রাহকের ১৪ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ  করল আইডিআরএ

বীমা গ্রাহকের ১৪ কোটি টাকার দাবি পরিশোধ করল আইডিআরএ

Bank Bima Shilpa

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাতটি লাইফ বীমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন গ্রাহকের ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকার বীমা দাবি ... বিস্তারিত

Notice of the 26th Annual General Meeting of prime islami life insurance limited

Notice of the 26th Annual General Meeting of prime islami life insurance limited

Bank Bima Shilpa

Notice of the 26th Annual General Meeting of prime islami life insurance limited ... বিস্তারিত