বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৪২ এএম
মো: সামছুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স
সাফল্যের জন্য বিচার বিবেচনাপূর্বক চ্যালেঞ্জ নিতে হয়। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ, জ্ঞান অর্জন, নিজের আত্মবিশ্বাস ও যোগ্যতা তৈরি করার পর যে চ্যালেঞ্জ নেওয়া হয় তাকে বলা হয় জ্ঞানলব্ধ চ্যালেঞ্জ। আর সে চ্যালেঞ্জ চোখ কান খোলা রেখেই নেয়া হয় । ঠিক তেমনি সাফল্যের জন্য যা প্রয়োজন সমস্ত গুণাবলীর সমন্বয় ঘটিয়ে চ্যালেঞ্জ যেনেও যিনি নিজেকে বীমা শিল্পে সম্পৃক্ত করে রেখেছেন তিনি হলেন লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মোঃ
সামছুল আলম। তিনি ২০২৩ সালের ২৩ জানুয়ারী প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করে, অদ্যবধি লাইফ বীমা সেবা প্রদান করে যাচ্ছেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটিতে স্বচ্ছতা, আর্থিক শৃঙ্খলা, কর্পোরেট গভর্ন্যান্স, গ্রাহক সন্তুষ্টি ও সেবার মানসহ যথাযথ সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহন করে প্রতিষ্ঠানটিকে গ্রাহক বান্ধব কোম্পানীতে রুপান্তর করার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। সিইও সামছুল আলম এর আগে বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বেস্ট লাইফের আগে সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন সামছুল আলম। এর পূর্বে তিনি একই কোম্পানিতে ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্সের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। সামছুল আলম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.কম ও এম.কম ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৬৮ সালে লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। জনাব সামছুল আলম বিশিষ্ঠ বীমাবিদ, রুপালী লাইফ ও সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং জীবন বীমা কর্পোরেশনের সাবেক জিএম এটিএম সাইফুল ইসলাম’র জ্যেষ্ঠ পুত্র। পেশাগত কারনে মোঃ সামছুল আলম বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
আমরা ব্যাংক বীমা শিল্প পত্রিকার পক্ষ থেকে গুণী এই বীমা ব্যক্তিত্বের মুখোমুখি হই। জানার আগ্রহ প্রকাশ করি লাইফ বীমা সেক্টরের কোম্পানী প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে। যা সরাসরি সাক্ষাৎকার হিসেবে নিম্নে উপস্থাপন করা হলঃ
ব্যাংক বীমা শিল্প : বীমা পেশাকে আপনি কিভাবে দেখেন?
মোঃ সামছুল আলম : নিঃসন্দেহে বীমা একটি চ্যালেঞ্জিং পেশা। তার কারণ একটি পলিসি করাতে বীমা কর্মীকে অনেক বেগ পেতে হয়, একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। আমি মনে করি এই পেশাতে যেমন চ্যালেঞ্জ আছে তেমনি বড় হওয়ারও সুযোগ রয়েছে। যেটা অন্য পেশায় খুব একটা নেই বললেই চলে। এ পেশায় পরিশ্রম করলে অবশ্যই বড় হওয়ার পথ খুলে যায়। আমার বাবা একজন বিশিষ্ঠ বীমাবিদ ছিলেন। তার সুবাদেই এই পেশায় আসা। আমি লেখাপড়ার পাশাপাশি বীমার সাথেও জড়িত ছিলাম। বর্তমানে বীমা পেশা অনেক ঝুঁকিপূর্ণ। এ জন্য অবশ্য অনেক কারণ রয়েছে। ফিল্ড কর্মিদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহীতার অভাব, রাষ্ট্রীয়ভাবে লাইফ বীমা কোম্পানীতে মানুষকে বীমা করানোর জন্য কোন বাধ্যবাধকতা না থাকা। যেটা অন্যান্য দেশে রয়েছে। এখানেই আমি মনে করি আমাদের দেশে মানুষ সর্বোত্র ঝুঁকিতে রয়েছে। আপনি বাহিরে বের হলেও দূর্ঘটনায় পরতে পারেন এবং ঘরে থাকলেও দূর্ঘটনায় পরতে পারেন। তাই প্রতিটা মানুষ থেকে প্রতিটা ভবন, প্রতিটা প্রতিষ্ঠান বীমার আওতায় নিয়ে আসা উচিৎ। আমাদের দেশে বীমা করতে কেউ বাধ্য হয়ে আসেনা। এখানে পলিসি হোল্ডারের পিছনে মাঠ কর্মীকে লেগে থাকতে হয়। এই সেক্টরে সরকারীভাবে খুব একটা প্রচারনাও নেই যে, মানুষ এসে সহজে একটি পলিসি গ্রহন করবে। সরকারী ভবন থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে সবকিছু যদি বীমা আওতায় থাকতো তাহলে হয়ত এই পেশাকে মানুষ আরও সম্মানের চোখে দেখত। আমি অবশ্যই এই পেশাকে সম্মানের চোখে দেখি। এই পেশায় নিজের স্বাধীনতা রয়েছে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম ইসলামী লাইফের বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতি সম্পর্কে বলুন।
মোঃ সামছুল আলম : বিশ্ব মন্দা বলতে একটা কথা আছে। গ্লোবালাইজেশন বিশ্বে ব্যবসায়িক পরিস্থিতিসহ নানাবিধ কারণে এক দেশ অন্য দেশের সাথে জড়িত। বিশ্ব যুদ্ধ , করোনা মহামারি, রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ, ইসরাইল কর্তৃক ফিলিস্থিনে গণহত্যা থেকে শুরু করে বিশ্বের এক দেশ আর এক দেশের সাথে চলমান যুদ্ধ ব্যবসা বানিজ্য স্থবির করে দিয়েছে। বিশেষ করে দেশের অভ্যন্তরে নানাবিধ রাজনৈতিক সংকট, আমদানী রপ্তানি থেকে শুরু করে নানাবিধ সংকটের কারণে বীমা ব্যবসায়ও মন্দা লেগেই রয়েছে। আমরা বিভিন্ন ধরনের আপদ কালীন পরিস্থিতির মধ্যেও বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিয়মের আওতায় থেকে কোম্পানীর ব্যবসায়িক অগ্রযাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করছি। প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২০২৪ সমাপ্ত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনের হিসাব অনুযায়ী আমাদের ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ১শত ২৮ কোটি টাকা, নবায়ন প্রিমিয়াম ২শ ৪৫ কোটি টাকা, গ্রুপ ও স্বাস্থ্য বীমা থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৮ কোটি টাকা এবং মোট প্রিমিয়াম আয় হয়েছে ৩৮১ কোটি টাকা। মোট বিনিয়োগ ৩শত ৭৯ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ থেকে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা। মোট সম্পদ ৮শত ৭৮ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। লাইফ ফান্ড দাড়িয়েছে ৭শত ৪৯ কোটি ১৯ লাখ টাকা। তাছাড়া বর্তমানে আমাদের কোম্পানীর ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সারাদেশে ১০ টি কর্পোরেট জোন/ বিভাগীয় অফিস, ৩৫টি জোন, ৬৩ টি এফপিআর সেন্টার, ২০৭ টি সাংগঠনিক অফিস পরিচালনা করে যাচ্ছে। গ্রাহকদের আরো সহজ ও দ্রুত সেবা প্রদান করার লক্ষ্যে অনলাইন সেবা প্রদানে সক্ষম শাখা অফিসে তথ্য সরবরাহের জন্য নিজস্ব ডাটা সেন্টার স্থাপন করেছে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম লাইফ এর বীমা দাবী পরিশোধ সম্পর্কে বলেন ?
মোঃ সামছুল আলম : আপনি জেনে খুশি হবেন যে, প্রাইম লাইফ বীমা দাবী পরিশোধে সর্বদা সক্রিয় ভুমিকা পালন করে থাকে । বিশেষ করে জীবন বীমা কোম্পানীর উৎকর্ষতা নির্ভর করে তার দাবি নিষ্পত্তি-প্রক্রিয়া কত সহজ তার উপর। প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স সেক্ষেত্রে দাবি নিষ্পত্তিতে খুবই উদার এবং এতে ন্যূনতম সময় নিয়ে থাকে। সাধারণ মৃত্যু ও গ্রুপ বীমা দাবি নিষ্পত্তি হয় নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। আমরা অক্টোবর ২০২৫ পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৫শত ১৫ জন গ্রাহককে মোট ২শত ৩৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা বীমা দাবী পরিশোধ করেছি।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম লাইফের মানব সম্পদ সম্পর্কে বলুন?
মোঃ সামছুল আলম : মানব সম্পদ আমাদের কোম্পানীর অনেক বড় চালিকা শক্তি। একটা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানুষ। মানসম্মত গ্রাহক সেবা বীমা কোম্পানীকে শীর্ষে পৌছানোর জন্য প্রধান উপাদান এবং পেশাদার ও যোগ্য কর্মী ছাড়া সর্বোত্তম সেবা নিশ্চিত করা যায় না। প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের প্রশিক্ষণ বিভাগের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত দাপ্তরিক এবং উন্নয়ন কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে মানব সম্পদকে মানব শক্তিতে রুপান্তর করা হয়। প্রাইম ইসলামী লাইফে সকল ক্ষেত্রে কর্মীদের মধ্যে সমান সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস্তব সম্মত মানব সম্পদ নীতি রয়েছে। মানব সম্পদ উন্নয়ন নীতির বৈশিষ্ট্য হিসেবে আমরা লিখিত ও মৌখিক উভয় ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করে থাকি। অধিকতর সুবিবেচনার জন্য আমরা আমাদের পদোন্নতি নীতিমালা পরিবর্তন করেছি। কর্মীদের বার্ষিক কর্ম-সম্পাদনা দক্ষতা, চাকরি অভিজ্ঞতা, চাকরির সময়কাল ও সততাকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়। কোম্পানীর পদোন্নতির ব্যাপারে সাব-কমিটি প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত যতেœর সাথে পরীক্ষা করে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করে। কোম্পানীর কর্মীদের জন্য আকর্ষনীয় লাভজনক প্যাকেজ-সংবলিত জাতীয় মানদন্ডের আলোকে একটি সার্ভিস রুলস্ রয়েছে এবং কর্মীদের চাকরি এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়। কর্মীদের বেনিফিট প্যাকেজের মধ্যে রয়েছে অংশগ্রহণমূলক প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্রুপ বীমা, গ্রাচুইটি, স্বাস্থ্য বীমা স্কিম, ছুটি এনক্যাশমেন্ট, বোনাস ।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম লাইফের প্রযুক্তি ব্যবহারের অগ্রগতি সম্পর্কে বলুন?
মোঃ সামছুল আলম : যেহেতু গোটা বিশ্ব আজ প্রযুক্তির আওতায়। তাই আমরাও প্রযুক্তি সাথে এগিয়ে চলছি। আমরা উন্নত নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপন স্থাপন করেছি, আইটি কাস্টমার কেয়ার স্থাপন করেছি, নতুন কল সেন্টার স্থাপন করেছি, নতুন মোবাইল অ্যাপস তৈরি করা হয়েছে। যেহেতু বর্তমানে বীমা খাতেও প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। তাই প্রাইম লাইফ ইতোমধ্যেই দ্রুত গ্রাহক সেবা বাস্তবায়ন করার জন্য কোম্পানীর প্রধান কার্যালয়ে উন্নত মানের সার্ভার রাউটার ফায়ারওয়ালের সমন্বয়ে নতুন ডাটা সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে। উক্ত ডাটা সেন্টার সমগ্র বাংলাদেশের সকল অফিস সমূহে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে দাপ্তরিক কাজ দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করা হচ্ছে। তাছাড়া উন্নত মানের ফায়ারওয়াল ব্যবহারের ফলে প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সকল তথ্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত রয়েছে। অনলাইন পলিসি সার্ভিসিং, ডিজিটাল প্রিমিয়াম পেমেন্ট, ডিজিটাল ক্লেইম পেমেন্ট, ; দ্রুত ক্লেইম প্রসেসিংÑএসব সুবিধা আমরা চালু করেছি। ভবিষ্যতে আমরা আরও এগোতে চাই- যেখানে মোবাইল অ্যাপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গ্রাহকের সঙ্গে রিয়েল টাইম কানেকশন তৈরি করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি শুধু প্রক্রিয়া সহজ করবে না, বরং গ্রাহকের আস্থা ও সন্তুষ্টিও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম লাইফের লভ্যাংশের ধারাবাহিকতা নেই কেন ?
মোঃ সামছুল আলম : ভালো কথা বলেছেন। দেখেন প্রাইম লাইফ পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির পর থেকে শেয়ার হোল্ডারদের এ পর্যন্ত নগদ লভ্যাংশ ১০০ শতাংশ এবং ষ্টক লভ্যাংশ প্রদান করা হয়েছে ১৫৫ শতাংশ। আপনারা জানেন লভ্যাংশ আসে উদ্বৃত্ত থেকে এবং উদ্বৃত্ত আসে রিটার্ন অন ইনভেস্টমেন্ট, ব্যবসার পরিমাণ এবং গতিশীল ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি থেকে। আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন যে, বিধিবদ্ধ নিরীক্ষকগণ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ সালের নিরীক্ষকের প্রতিবেদনে পূর্ববর্তী ব্যবস্থাপনা/পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানীর তহবিল আইন অমান্য করে বিনিয়োগ বিভিন্ন খাতে ব্যবহার করেছেন। যেমন -প্র্ইাম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেড এর ঋণ গ্রহণের সমর্থনে কোম্পানির এমটিডিআর ব্যাংকে বন্ধক দিয়েছে এবং এমটিডিআর নগদায়ন করার জন্য শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর এক/একাধিক শাখাকে সমর্থন দিয়েছে। বর্তমানে পরিচালনা পর্ষদ / ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পিএফআইএসএল এর বিও হিসাবে কোম্পানীর নগদ টাকা সহ উল্লেখিত তিন ব্যাংক পিএফআই সিকিউরিটিস লিমিটেড এর ঋণের সমর্থনে জমা দেওয়া এমটিডিআর নগদায়নকৃত টাকা পুনরুদ্বারের চেষ্টা করছে। বর্তমান পর্ষদ মহামান্য হাইকোটে ( কোম্পানীর ম্যাটার নং ১০৯/২০ এবং ১৬৪/২০) দুটি মামলা করেছে এবং বাংলালায়ন কমিউনিকেশনস্ লিমিটেড-এর বন্ডে বিনিয়োগ পুনরুদ্বারে সালিশি কার্যক্রম সম্পূর্ণ হয়েছে এবং রায় কোম্পানীর পক্ষে এসেছে। পূর্ববর্তী পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোম্পানীর তহবিল তসরুপ সহ বীমা আইন অমান্য করে বিভিন্ন দূর্নীতি করায় আমরা ডিভিডেন্ডের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারিনি। তবে আশার কথা আমরা বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ এবং ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ কোম্পানীকে লাভজনক এবং স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছি। আগামীতে ইনশাআল্লাহ্ আমরা ডিভিডেন্ডের ধারাবাহিকতা ধরে রাখার চেষ্টা করব। আমরা প্রাইম লাইফকে গ্রাহক বান্ধব ও ব্যবসা সফল কোম্পানীতে রুপান্তর করার অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রাইম ইসলামী লাইফ নিয়ে আপনার ভবিষৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে বলুন ?
মোঃ সামছুল আলম : আমাদের ভবিষৎ পরিকল্পনা হচ্ছে দেশের প্রতিটা মানুষ জীবন বীমার আওতায় আসবে। বাংলাদেশের জীবন বীমা সম্পর্কে অনেকেরই নেতিবাচক ধারনা রয়েছে। আমি এ কথা অকপটে স্বীকার করব কিছু কোম্পানীর এবং কিছু ব্যক্তির জন্য আজ এই অবস্থা। এখান থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। প্রাইম লাইফকে আমরা শরিয়াভিত্তিক কোম্পানীতে রুপান্তরিত করার অর্থাৎ জনসাধারণের দোড়গোড়ায় বীমা পরিষেবা নিয়ে যাওয়ার জন্য শরিয়ার ভিত্তি ও নীতিমালার আলোকে কোম্পানীটি পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের ভিশন, মিশন, লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পেশাগত মান, কর্পোরেট গভর্নেন্স আমরা যথাসাধ্য পরিপালন করার চেষ্টা করছি। আপনি হয়ত অবগত আছেন প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ইতিপূর্বে আইএসও সনদপত্র অর্জন করেছেন (কোম্পানীর সনদ ৯০০১:২০১৫) তাছাড়া কোম্পানী বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরষ্কার অর্জন করেছে। ইউকে থেকে দুইবার বেষ্ট তাকাফুল কোম্পানী অ্যাওয়ার্ড, ইউএসএ থেকে বিওন্ড সাকসেস অ্যাওয়ার্ড , পিক অব সাকসেস অ্যাওয়ার্ড। ইউকে থেকে বেস্ট তাকাফুল কোম্পানী অ্যাওয়ার্ড, ইউএসএ বিজ অ্যাওয়ার্ড ওয়ার্ল্ড কনফেডারেশন অব বিজনেস (ওয়ার্ল্ডকব)। ইউকে থেকে বেস্ট এন্টারপ্রাইস অ্যান্ড বেস্ট ম্যানেজার অ্যাওয়ার্ড, ফ্রান্স থেকে দি গোল্ডেন ইউরোপ অ্যাওয়ার্ড, স্পেন থেকে সেঞ্চুরী ইন্টারন্যাশনাল ইআরএ অ্যাওয়ার্ড অর্জনসহ আমরা বিভিন্ন পুরষ্কারে অর্জন করেছি।
মোঃ আকতার, চেয়ারম্যান, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড Prepare to be a good person before becoming a great person. শৈশবকাল থে... বিস্তারিত
তোফাজ্জল হোসেন, চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ... বিস্তারিত
মোঃ জালালুল আজিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. নিজ মেধা, দক্ষতা, দূর... বিস্তারিত
আহমেদ সাইফুদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বিজিআইসি বিশেষ প্রতিবেদন দেশের বীমা খাত ইতিবাচক ধ... বিস্তারিত
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীর যোগ্য ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে... বিস্তারিত
এস এম নুরুজ্জামান, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এস এম নুরুজ্... বিস্তারিত
বিবিএস নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদে... বিস্তারিত
নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নন-লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স পি... বিস্তারিত
মোঃ আকতার, চেয়ারম্যান, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড Prepare to be a good person before becoming a great person. শৈশবকাল থে... বিস্তারিত
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিয়তপুর-১ আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজীয় হ... বিস্তারিত