দাবি নিষ্পত্তিতে প্রগতি লাইফের সাফল্যই গ্রাহক আস্থার মূল ভিত্তি

Bank Bima Shilpa    ০১:১১ পিএম, ২০২৫-১০-১১    428


দাবি নিষ্পত্তিতে প্রগতি লাইফের সাফল্যই গ্রাহক আস্থার মূল ভিত্তি

মোঃ জালালুল আজিম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও, প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.
নিজ মেধা, দক্ষতা, দূরদর্শিতা এবং প্রগতিশীল চিন্তা-চেতনার সমন্বয় ঘটিয়ে যিনি নিজেকে বীমা শিল্পে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি হলেন দেশের অন্যতম জীবন বীমা প্রতিষ্ঠান প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও মোঃ জালালুল আজিম। বিসিএস ক্যাডারসহ দীর্ঘ ৩৫ বছরের বহুমূখী পেশাদারিত্বের অধিকারী মোঃ জালালুল আজিম তাঁর বর্ণিল কর্মজীবনের ২৯ বছর কাটিয়েছেন বীমা শিল্পে। এই প্রতিভাবান বীমা ব্যক্তিত্ব ২০১৩ সালে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। প্রগতি লাইফে যোগদানের পূর্বে তিনি ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিঃ ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিঃ (সাধারণ) এ ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও হিসেবে কর্মরত ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. কে একটি আধুনিক ও প্রযুক্তি নির্ভর গুনগত মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলছেন। তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত ও দক্ষ নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক সার্ভিস সিস্টেমে যে পরিবর্তনের ধারা সূচিত হয়েছে বর্তমানে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. তার সুফল পেতে শুরু করেছে। ২০১৩ সালে ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও এর দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সকে ব্যবসায়িক ও গুনগত দিক থেকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। মুলত তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের করণেই প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. ফিরে পায় উন্নয়নের গতিধারা। এমনকি ২০২০-২১ সালে কোভিড-১৯ মহামারীতে সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতি যেখানে মুখথুবরে পড়ে, সেখানে তাঁর দূরদর্শী সিদ্ধান্ত ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সর উন্নয়নের গতিধারা ছিল যে কোন সময়ের চেয়ে বেগবান।
ছোট বেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী মোঃ জালালুল আজিম ঢাকা বিভাগ থেকে এসএসসি ও ঢাকা কলেজ থেকে এইচএসসি ১ম বিভাগে পাস করেন। ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃষি প্রকৌশল বিষয়ে ১ম শ্রেণীতে ১ম স্থান অধিকার করে বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৯-৯১ শিক্ষা বর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি আমেরিকার ‘লাইফ ম্যানেজমেন্ট ইনষ্টিটিউটের একজন ফেলো’ (FLMI) ও একই দেশের কাষ্টমার সার্ভিসেস ইনষ্টিটিউট থেকে “Professional, Customer Services” (PCS) ডিপ্লোমা লাভ করেন। বীমা শিল্পে যোগদানের পূর্বে মোঃ জালালুল আজিম ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানীতে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া তিনি একজন প্রাক্তন বিসিএস ক্যাডার অফিসার। ১০ম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে তিনি বাংলাদেশ রেলওয়েতে কর্মরত ছিলেন। বীমা শিল্পে তার কর্মজীবন শুরু হয় আমেরিকান লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী (অ্যালিকো) তে যোগদানের মাধ্যমে। এই প্রতিষ্ঠানে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত ছিলেন এবং ২০০২-২০০৬ সাল পর্যন্ত এজেন্সি ডিরেক্টর এর দায়িত্ব পালন করেন। অ্যালিকোতে তিনি তার কর্ম দক্ষতার জন্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি অ্যালিকো মিডেল ইস্ট, আফ্রিকা এবং সাউথ এশিয়া অঞ্চলের সেরা কর্মকর্তার সম্মানে ভূষিত হন। এছাড়া এজেন্সি ডিরেক্টর এর দায়িত্ব পালন কালে ২০০২ ও ২০০৩ সালে টানা দুই বছর ALICO World এ সেরা এজেন্সি ডিরেক্টর হিসেবে পুরস্কৃত হন।
সৃজনশীলতা ও অভিজ্ঞতা তাঁকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার যোগ্যতা এনে দিয়েছে। মোঃ জালালুল আজিম মনে করেন বর্তমান সময়ে অর্থাৎ বিশ্বায়নের এই যুগের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে নিজেদের অধিক দক্ষ ও প্রযুক্তিমুখী করে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষত বীমা গ্রাহকদের দ্রুত ও যুগোপযোগী সেবা প্রদানের জন্য তথ্য প্রযুক্তির কোন বিকল্প নেই। সেই লক্ষ্যে তাঁর বর্তমান কর্মক্ষেত্র প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স কে তিনি সম্পূর্ণরূপে ডিজিটাল পদ্ধতির তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর জীবন বীমা কোম্পানী হিসেবে গড়ে তুলছেন।
জালালুল আজিম বীমা শিল্পে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতার আলোকে উপলব্ধি করেছেন বীমা শিল্পে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা। তাঁর এই উপলব্ধির ফসল হিসেবে তিনি প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্স (সাধারণ) এর জন্য স্বয়ং সম্পূর্ণ একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তুলেন যা প্রগতি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট নামে নাম করন করা হয়েছে। আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউট প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি ও প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিঃ এর কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাজের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছে যা বীমা শিল্পের সার্বিক সমৃদ্ধিতে বিশেষ অবদান রাখছে।
পেশাগত প্রয়োজনে মোঃ জালালুল আজিম যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, মেক্সিকো, বেলিজ, কেইমেন আইল্যান্ড, মিশর, তুরস্ক, পর্তূগাল, হাঙ্গেরী, ফ্রান্স, জার্মানী, গ্রীস, সুইজারল্যান্ড, রাশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, দ:কোরিয়া, জাপান, নেপাল ও ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ ভ্রমণ করেছেন।
তিনি আইবিএ এলামনাই এসোসিয়েশন, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব এগ্রিকালচারিষ্ট এবং আর্মি গলফ ক্লাবের সদস্য।
পারিবারিক জীবনে মোঃ জালালুল আজিম দুই কন্যা সন্তানের জনক এবং তার সহধর্মিনী একজন সুযোগ্য গৃহিনী। বহু প্রতিভার অধিকারী এই সফল বীমা ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের বীমা পেশাজীবীদের জন্য এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তার স্বপ্ন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মাঝে বীমা সুবিধা পৌঁছে দেয়া। এ লক্ষ্যে তিনি ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যবীমা, শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য জীবন বীমা এবং দেশের সাধারণ জনগনের জন্য পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্যবীমাসহ অনেক উদ্ভাবনী জীবন ঘনিষ্ঠ বীমা পরিকল্প চালু করেছেন। তাঁর সুদীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি যতগুলো বীমা প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন, তার প্রতিটিতে মেধা ও দক্ষতার সমন্বয়ে বীমা শিল্পকে তথা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার চেষ্টা করেন।
আমরা ব্যাংক বীমা শিল্প পত্রিকার পক্ষ থেকে গুণী এই ব্যক্তির মুখোমুখি হই। জানার আগ্রহ প্রকাশ করি লাইফ বীমা সেক্টরের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রগতি লাইফের ব্যবসায়িক অবস্থান সম্পর্কে। যা সরাসরি সাক্ষাৎকার হিসেবে নিম্নে উপস্থাপন করা হলঃ
ব্যাংক বীমা শিল্প : পেশা হিসেবে বীমা, কেন বেছে নিলেন?
মোঃ জালালুল আজিম : বাংলাদেশের মতো একটি দেশে যেখানে সামাজিক সুরক্ষা এখনো দুর্বল, সেখানে জীবন বীমা মানুষের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার অন্যতম বড় ভরসা হতে পারে। আমি বিশ্বাস করিÑবীমা কেবল একটি আর্থিক পণ্য নয়, বরং এটি মানুষের সঙ্গে একটি নৈতিক প্রতিশ্রুতি। যখন একটি পরিবার বিপদে পড়ে, তখন তাদের পাশে আর্থিক সহায়তা হয়ে দাঁড়ানোই হলো বীমার মূল লক্ষ্য। এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই আমি বীমা খাতকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি।
এখানে কাজ করার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলোÑএকদিকে আর্থিক খাতের অংশ হিসেবে মজবুত ক্যারিয়ার গড়া যায়, অন্যদিকে সমাজে সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব ফেলা সম্ভব হয়। আমি মনে করি, সততা, দায়বদ্ধতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ভিশন থাকলে বীমা খাত একজন পেশাজীবীকে শুধু সফলতাই দেয় না, সমাজকেও আরও নিরাপদ করে তোলার সুযোগও দেয়।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রগতি লাইফের বর্তমান ব্যবসায়িক পরিস্থিতি বিশেষ করে প্রিমিয়াম, লাইফ ফান্ড ও সম্পদ সম্পর্কে বলুন।
মোঃ জালালুল আজিম : বাংলাদেশের বীমা শিল্প নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়েও এগোচ্ছে। বিশেষ করে করোনা মহামারির পর অনেক কোম্পানি সমস্যায় পড়লেও প্রগতি লাইফ তুলনামূলক স্থিতিশীল অবস্থানে থাকতে পেরেছে। আমাদের বার্ষিক প্রিমিয়াম আয়ে ধারাবাহিক বৃদ্ধি রয়েছে, যা গ্রাহকের আস্থারই প্রতিফলন।
লাইফ ফান্ড হলো একটি বীমা কোম্পানির শক্তিমত্তার সবচেয়ে বড় মাপকাঠি। প্রগতি লাইফের লাইফ ফান্ড এখন দৃঢ় ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে আছে এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও আমরা বৈচিত্র্য এনেছিÑসরকারি বন্ড, শেয়ারবাজার ও স্থায়ী আমানতÑসবক্ষেত্রে ব্যালান্সড অ্যাপ্রোচ নিয়েছি। এর ফলে সম্পদ পোর্টফোলিও স্থিতিশীল হয়েছে এবং ভবিষ্যৎ ঝুঁকি মোকাবিলা সহজ হবে।
প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি.-এর সর্বশেষ ২০২৪ অর্থবছর অনুযায়ী:
মোট প্রিমিয়াম: ৫৮১.৭৮ কোটি টাকা
লাইফ ফান্ড : ৬৫৯.১৪ কোটি টাকা
মোট সম্পদ: ৭৪৬.৭৭ কোটি টাকা
সার্বিকভাবে বলতে গেলে, প্রগতি লাইফের আর্থিক অবস্থান অত্যন্ত সুসংহত।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রগতি লাইফ কি সঠিক সময়ে এবং সঠিক নিয়মে বীমা দাবী পরিশোধ করছে?
মোঃ জালালুল আজিম : বীমা দাবী পরিশোধের বিষয়টি প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি. সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখে থাকে। আমাদের নীতি হলো Prompt Claim Settlement, অর্থাৎ গ্রাহকের বৈধ দাবি দ্রুততম সময়ে ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তি করা। এ কারণেই আমরা গ্রাহকের মনে আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি।
আমরা গর্বের সাথে বলতে পারি, প্রগতি লাইফ ধারাবাহিকভাবে উচ্চ হারে দাবি নিষ্পত্তি করেছে। প্রযুক্তি-নির্ভর আধুনিক সিস্টেম চালুর ফলে এখন দাবি প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে।
ফলে বলা যায়, দাবি নিষ্পত্তিতে প্রগতি লাইফের সাফল্যই আমাদের ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং গ্রাহক আস্থার মূল ভিত্তি। আমরা বিশ্বাস করি, এ ধারা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে শুধু প্রগতি লাইফ নয়, বরং পুরো বীমা শিল্পের ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী হবে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রগতি লাইফের ব্যবস্থাপনা ব্যয় কি আইডিআরএ’র নিয়মের মধ্যে রয়েছে?
মোঃ জালালুল আজিম : বাংলাদেশে বীমা খাত নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন নিশ্চিত করার জন্য বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) নির্দিষ্ট ব্যয় কাঠামো প্রণয়ন করেছে। প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি সর্বদা এই কাঠামো কঠোরভাবে মেনে চলে। সর্বশেষ ২০২৪ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১৯৫.৭০ কোটি টাকা, যা অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয়ের তুলনায় ৩.০১ শতাংশ কম।
একটি বীমা প্রতিষ্ঠানের জন্য সঠিকভাবে ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি শুধু কোম্পানির আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে না, গ্রাহকের টাকাকেও সুরক্ষিত রাখে। প্রগতি লাইফ এ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে। আমরা অপ্রয়োজনীয় খরচ কমিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সেবার মানোন্নয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার দিকে বিনিয়োগ করি।
ফলে আমাদের কার্যক্রম আইডিআরএ’র নিয়ম মেনে পরিচালিত হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানের টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করছে। গ্রাহকের আস্থা রক্ষা এবং সঠিক আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখাÑএই দুই মূল নীতিকে কেন্দ্র করেই প্রগতি লাইফের ব্যয় ব্যবস্থাপনা পরিচালিত হচ্ছে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : বর্তমানে প্রগতি লাইফে কতজন পলিসি হোল্ডার রয়েছে?
মোঃ জালালুল আজিম : প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-র পলিসি হোল্ডারের সংখ্যা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা আমাদের প্রতি মানুষের আস্থা ও জীবন বীমার গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের বাড়তে থাকা সচেতনতার স্পষ্ট প্রতিফলন। বর্তমানে আমাদের মোট পলিসি হোল্ডার সংখ্যা প্রায় ৬,৯৬,৪৪৭টি (গ্রুপ বীমাসহ)।
তবে শুধু সংখ্যার বৃদ্ধি নয়, প্রতিটি গ্রাহক আমাদের কাছে সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা বিশ্বাস করিÑপ্রতিটি নতুন গ্রাহক যুক্ত হওয়ার অর্থ হলো একটি নতুন পরিবার তাদের ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও নিশ্চয়তার দায়িত্ব প্রগতি লাইফের ওপর অর্পণ করছে। তাই আমাদের লক্ষ্য শুধু নতুন গ্রাহক সংগ্রহে সীমাবদ্ধ নয়; বিদ্যমান গ্রাহকদের আস্থা বজায় রাখা এবং তাদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।
ব্যাংক বীমা শিল্প : প্রগতি লাইফের প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকটি কীভাবে দেখেন?
মোঃ জালালুল আজিম : আজকের বিশ্ব প্রযুক্তি নির্ভর। তাই বীমা খাতেও প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। প্রগতি লাইফ ইতোমধ্যেই ডিজিটাল ট্রান্সফরমেশনের যাত্রা শুরু করেছে। অনলাইন পলিসি সার্ভিসিং, ডিজিটাল প্রিমিয়াম পেমেন্ট, ডিজিটাল ক্লেইম পেমেন্ট,  দ্রুত ক্লেইম প্রসেসিংÑএসব সুবিধা আমরা চালু করেছি। ভবিষ্যতে আমরা আরও এগোতে চাই- যেখানে মোবাইল অ্যাপ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে গ্রাহকের সঙ্গে রিয়েল টাইম কানেকশন তৈরি করা সম্ভব হবে। প্রযুক্তি শুধু প্রক্রিয়া সহজ করবে না, বরং গ্রাহকের আস্থা ও সন্তুষ্টিও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : পলিসি ল্যাপস বা তামাদি সম্পর্কে বলুন।
মোঃ জালালুল আজিম : পলিসি ল্যাপস বা তামাদি হলো এমন একটি অবস্থা, যখন গ্রাহক সময়মতো প্রিমিয়াম প্রদান করতে ব্যর্থ হন এবং নির্ধারিত গ্রেস পিরিয়ড অতিক্রম হয়ে যায়। এর ফলে পলিসি কার্যকারিতা হারায় এবং গ্রাহক কভারেজ থেকে বঞ্চিত হন।
আমরা চাই না কোনো গ্রাহকের পলিসি তামাদি হোক। এজন্য আমরা সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি এসএমএস রিমাইন্ডার, ফোনকল এবং অনলাইন নোটিফিকেশনের ব্যবস্থা রেখেছি। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রিমিয়াম পরিশোধের সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যাতে গ্রাহক সহজেই তার প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে পারেন। আমাদের অভিজ্ঞতা বলে- যত বেশি গ্রাহককে সচেতন করা যায়, তত কম হয় পলিসি ল্যাপসের হার।
ব্যাংক বীমা শিল্প : মানুষ বীমা দাবি পাচ্ছেনা এই অভিযোগের ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কী?
মোঃ জালালুল আজিম : এটি সত্য যে, বাংলাদেশের অনেক বীমা কোম্পানির বিরুদ্ধে গ্রাহকের দাবি যথাসময়ে পরিশোধ না করার অভিযোগ রয়েছে। এর পেছনে কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা যায়।
প্রথমত, অনেক প্রতিষ্ঠানের দাবি নিষ্পত্তি সক্ষমতা (Claim Settlement Capacity) দুর্বল। প্রিমিয়াম সংগ্রহের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকা, বিনিয়োগে দুর্বলতা এবং তারল্য ঘাটতির কারণে গ্রাহকের দাবি সময়মতো পরিশোধ করা যায় না।
দ্বিতীয়ত, কিছু কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার অভাব রয়েছে। ফলে গ্রাহক যথাসময়ে বীমা দাবি পান না এবং অভিযোগ আরও বেড়ে যায়।
তবে এ চিত্র পুরো বীমা খাতের জন্য প্রযোজ্য নয়। অনেক কোম্পানি ইতিমধ্যেই গ্রাহকের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তি করার দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান দাবি নিষ্পত্তির হার (Claim Settlement Ratio) ৯৫% এরও বেশি বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। আমার বিশ্বাস, এই সমস্যার সমাধানে তিনটি বিষয় অত্যন্ত জরুরিÑ
১) নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি আরও শক্তিশালী করা।
২) প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা উন্নত করা,
৩) দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর দাবি নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া চালু করা।
যদি এ উদ্যোগগুলো বাস্তবায়ন করা যায়, তবে গ্রাহকের আস্থা ফিরবে এবং মানুষ বুঝতে পারবে যে- বীমা শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বরং বাস্তব সুরক্ষা
ব্যাংক বীমা শিল্প : বাংলাদেশের বীমা খাত ইতিবাচক ধারায় নেই, মাঠপর্যায় থেকে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত অনিয়ম দুর্নীতি চলছেÑআপনার মতামত কী?
মোঃ জালালুল আজিম : হ্যাঁ, এটা অস্বীকার করা যাবে না যে বাংলাদেশের বীমা খাতে এখনো অনেক অনিয়ম ও দুর্বলতা রয়েছে। এর ফলে মানুষের আস্থা কমেছে। তবে আমি এটিকে কেবল সমস্যার জায়গা হিসেবে দেখি না, বরং পরিবর্তনের সুযোগ হিসেবে দেখি।
যদি আমরা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পারি, প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে পারি এবং পেশাগত দক্ষতাকে অগ্রাধিকার দিইÑতাহলে খুব দ্রুতই এই খাতকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। সবচেয়ে জরুরি হলো আস্থা পুনর্গঠন, আর সেটি করতে হলে কোম্পানি, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও গ্রাহকÑসব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন।
ব্যাংক বীমা শিল্প : লাইফ বীমা সেক্টরে নতুন পণ্যের অভাব কেন?
মোঃ জালালুল আজিম : বাংলাদেশে এখনো গ্রাহকের মধ্যে পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। ফলে অনেক সময় নতুন পণ্য তৈরি হলেও সেটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে না। পাশাপাশি নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নতুনত্ব আনার গতি কমিয়ে দেয়। নতুন পণ্য বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রিতা এবং প্রশাসনিক জটিলতাও একটি বড় বাধা। এছাড়া নতুন ধরনের বীমা পণ্য বিপণনের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষ জনশক্তির অভাব রয়েছে, যা পণ্যগুলোকে গ্রাহকের কাছে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে ব্যর্থ হয়।
তবে এসব সীমাবদ্ধতার মাঝেও আমরা হাল ছাড়িনি। আমরা বাংরাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্বাস্থ্য বীমা এনেছি এছাড়াও অবসরকালীন সঞ্চয়ভিত্তিক বীমা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক গ্রাহকের বাস্তব চাহিদা অনুযায়ি জীবন বীমা পণ্য আনার উদ্যোগ নিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য হলোÑগ্রাহকের প্রকৃত চাহিদা ও দেশের অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের সাথে সামঞ্জস্য রেখে উদ্ভাবনী ও কার্যকর বীমা পণ্য তৈরি করা।
ব্যাংক বীমা শিল্প : জাতীয় অর্থনীতিতে বীমার ভূমিকা সম্পর্কে বলুন।
মোঃ জালালুল আজিম : বীমা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাত। এটি মানুষের সঞ্চয়কে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে রূপান্তর করে, যা শিল্প, অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়। এর মাধ্যমে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা আসে এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি হয়।
একই সঙ্গে বীমা একটি সামাজিক নিরাপত্তার হাতিয়ার। দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা মৃত্যুর মতো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতিতে এটি পরিবারকে আর্থিক সুরক্ষা প্রদান করে, যা দারিদ্র্য প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলে বীমা কেবল একটি ব্যবসা নয়, বরং অর্থনীতি ও সমাজÑদুই ক্ষেত্রেই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তবে বর্তমানে আমাদের দেশে বীমার পেনিট্রেশন হার এখনও তুলনামূলকভাবে কম। এই হার যদি বৃদ্ধি করা যায়, তবে তা জিডিপি-তে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে এবং জাতীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। তাই বীমা খাতের বিকাশ ও প্রসার অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি অপরিহার্য উপাদান
ব্যাংক বীমা শিল্প : অনেক লাইফ বীমা কোম্পানি উচ্চ বা মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছেÑনিয়ন্ত্রক সংস্থা কেন সতর্কতা দিচ্ছে?
মোঃ জালালুল আজিম : প্রত্যেক কোম্পানির ব্যবস্থাপনা দক্ষতা, বিনিয়োগ কৌশল ও গ্রাহক সেবার মান সমান নয়। ফলে কিছু কোম্পানি ঝুঁকিতে পড়ে। আইডিআরএ এই ঝুঁকি শনাক্ত করে আগাম সতর্ক সংকেত দেয়, যাতে কোম্পানি সময়মতো সঠিক পদক্ষেপ নিতে পারে।
আমি মনে করি, এটি আসলে খাতটির জন্য ইতিবাচক বিষয়। কারণ, আগাম সতর্কবার্তা দিলে কোম্পানি দুর্বল জায়গাগুলো চিহ্নিত করতে পারে এবং উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নিতে পারে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : আইডিআরএ’র নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আপনার মতামত কী?
মোঃ জালালুল আজিম : আইডিআরএ বর্তমানে বীমা খাতকে সুশাসন ও স্বচ্ছতার দিকে নিয়ে যেতে কাজ করছে। তারা নিয়মিতভাবে কোম্পানিগুলোকে মনিটর করছে, ব্যয় কাঠামো নির্ধারণ করছে এবং গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করছে। আমাদের দায়িত্ব হলোÑএই নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করা এবং প্রতিটি নির্দেশনা মেনে চলা। আমি বিশ্বাস করি, আইডিআরএ ও কোম্পানিগুলো একসাথে কাজ করলে বাংলাদেশের বীমা খাত আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে।
ব্যাংক বীমা শিল্প : একজন সিইও হিসেবে লাইফ বীমা খাত এগিয়ে নিতে আপনার পরামর্শ কী?
মোঃ জালালুল আজিম : আমার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের বীমা খাতকে এগিয়ে নিতে হলে চারটি মৌলিক বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরিÑ
১) আস্থা ফিরিয়ে আনা : বাংলাদেশে অনেক মানুষ এখনো বীমার প্রতি দ্বিধাগ্রস্ত। দাবি নিষ্পত্তির জটিলতা এবং সঠিক সময়ে গ্রাহককে সুবিধা না দেওয়ার কারণে তাদের আস্থায় ঘাটতি তৈরি হয়েছে। এই আস্থা ফিরিয়ে আনা ছাড়া বাজার সম্প্রসারণ সম্ভব নয়। তাই দ্রুত ও স্বচ্ছ দাবি নিষ্পত্তি এবং গ্রাহকের স্বার্থকে সর্বাগ্রে রাখাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
২) স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা : প্রতিটি প্রক্রিয়াÑপ্রিমিয়াম নির্ধারণ থেকে শুরু করে দাবি নিষ্পত্তি পর্যন্তÑগ্রাহকের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করা উচিত। এ জন্য নীতিমালা আরও সহজবোধ্য করা দরকার এবং আর্থিক প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মানদ- অনুসরণ করা প্রয়োজন। স্বচ্ছতা বাড়লে গ্রাহকের আস্থা পুনর্গঠিত হবে।
৩) প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবন : আজকের গ্রাহক ডিজিটাল-সক্ষম সেবা প্রত্যাশা করেন। তাই অনলাইন পলিসি কেনা, মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে প্রিমিয়াম প্রদান ইত্যাদি উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য বীমা, অবসরকালীন সঞ্চয় এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মভিত্তিক মাইক্রো-ইন্স্যুরেন্সের মতো নতুন পণ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে আরও সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
৪) দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি : বীমা ব্যবসার জন্য প্রয়োজন প্রশিক্ষিত অ্যাকচুয়ারি, আন্ডাররাইটার, রিস্ক ম্যানেজার ও ডিজিটাল মার্কেটিং জানা সেলস টিম। আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, সার্টিফিকেশন ও গবেষণা-উদ্যোগের মাধ্যমে মানবসম্পদকে দক্ষ করে তুলতে হবে।
বাংলাদেশে বর্তমানে বীমা পেনিট্রেশন হার মাত্র ০.৪৫%, যেখানে প্রতিবেশী দেশ ভারত ইতোমধ্যে ৪% ছাড়িয়েছে। এই ফারাকই বোঝায়Ñআমাদের সামনে প্রবৃদ্ধির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। যদি আমরা গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনি, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করি, প্রযুক্তির সদ্ব্যবহার করি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগ করি, তবে বীমা খাত জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।


রিটেলেড নিউজ

প্রাইম লাইফের গ্রাহক আস্থা, আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনে নতুন দিগন্ত -

প্রাইম লাইফের গ্রাহক আস্থা, আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনে নতুন দিগন্ত -

Bank Bima Shilpa

মোঃ আকতার, চেয়ারম্যান, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড Prepare to be a good person before becoming a great person. শৈশবকাল থে... বিস্তারিত

নৈতিকতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ন্যাশনাল লাইফ এগিয়ে যাচ্ছে-

নৈতিকতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ন্যাশনাল লাইফ এগিয়ে যাচ্ছে-

Bank Bima Shilpa

তোফাজ্জল হোসেন, চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স পিএলসি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ... বিস্তারিত

প্রাইম ইসলামী লাইফকে গ্রাহক বান্ধব ও ব্যবসা সফল কোম্পানীতে রুপান্তর করার অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি

প্রাইম ইসলামী লাইফকে গ্রাহক বান্ধব ও ব্যবসা সফল কোম্পানীতে রুপান্তর করার অভিষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি

Bank Bima Shilpa

মো: সামছুল আলম, ম্যানেজিং ডিরেক্টর এন্ড সিইও, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স সাফল্যের জন্য বিচার... বিস্তারিত

বীমা খাতকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত

বীমা খাতকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত

Bank Bima Shilpa

আহমেদ সাইফুদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও, বিজিআইসি বিশেষ প্রতিবেদন দেশের বীমা খাত ইতিবাচক ধ... বিস্তারিত

ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বিজিআইসি

ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে বিজিআইসি

Staff Reporter

ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ সাইফুদ্দিন চৌধুরীর যোগ্য ব্যবস্থাপনায় ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে... বিস্তারিত

দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে বীমা সরাসরি জড়িত

দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ভাগ্য উন্নয়নে বীমা সরাসরি জড়িত

A. B. Howlader

এস এম নুরুজ্জামান, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এস এম নুরুজ্... বিস্তারিত

সর্বশেষ

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদকে বিআইএফ’র অভিনন্দন

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিআইএ প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদকে বিআইএফ’র অভিনন্দন

Bank Bima Shilpa

বিবিএস নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদে... বিস্তারিত

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স'র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে মোঃ আমিনুর রহমানের নিয়োগ অনুমোদন

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স'র মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা পদে মোঃ আমিনুর রহমানের নিয়োগ অনুমোদন

Bank Bima Shilpa

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত নন-লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠান কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স পি... বিস্তারিত

প্রাইম লাইফের গ্রাহক আস্থা, আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনে নতুন দিগন্ত -

প্রাইম লাইফের গ্রাহক আস্থা, আর্থিক প্রবৃদ্ধি ও ডিজিটালাইজেশনে নতুন দিগন্ত -

Bank Bima Shilpa

মোঃ আকতার, চেয়ারম্যান, প্রাইম ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড Prepare to be a good person before becoming a great person. শৈশবকাল থে... বিস্তারিত

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিআইএ'র প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ আসলামকে প্রাইম লাইফের শুভেচ্ছা

সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় বিআইএ'র প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ আসলামকে প্রাইম লাইফের শুভেচ্ছা

Bank Bima Shilpa

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিয়তপুর-১ আসনে বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে বিজীয় হ... বিস্তারিত