বীমা হচ্ছে জনগনের সেবা করা, সেবার মনোভাব নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে- জামাল এম এ নাসের, মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড

A. B. Howlader    ০৬:০২ পিএম, ২০১৯-১১-০২    3251


বীমা হচ্ছে জনগনের সেবা করা, সেবার মনোভাব নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে- জামাল এম এ নাসের, মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড

 

জীবন বীমা জগতের এক খ্যাতিমান ব্যক্তিত্ব জামাল এম আবু নাসের। যিনি বর্তমানে বাংলাদেশের লাইফ ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের স্বনামধন্য কোম্পানী ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড-এ ২০১২ সাল থেকে অদ্যবধি ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও হিসেবে গুরু দায়িত্ব পালন করে আসছেন। জনাব নাসের ১৯৮৬ সালে গ্রীণ ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স থেকে তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শুরু করেন এবং পরবর্তীতে একই বছর ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীতে এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে জীবন বীমা শিল্পে সম্পৃক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি সন্ধানী লাইফ, প্রোগ্রেসিভ লাইফ, গোল্ডেন লাইফ ও পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীতে উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ বিভিন্ন উর্ধ্বতন পদে দায়িত্ব পালন করেন। জনাব নাসের একজন কম্পিউটার সিস্টেম এনালিস্ট এবং এ্যাকচুয়ারীয়েল এসোসিয়েট হিসেবে বিভিন্ন এ্যাকচুয়ারীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছেন। জামাল নাসের দেশ বিদেশের একজন মোটিভেশনাল স্পিকার। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮২ সালে পরিসংখ্যানে ¯œাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন এবং ১৯৯২ সালে লন্ডন ইউনিভার্সিটি বোর্ড (ইউকে) থেকে জিসিই কম্পিউটিং কোর্স সম্পন্ন করেন। তিনি কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। আর এর সূত্র ধরেই সম্প্রতি ব্যাংক বীমা শিল্প পত্রিকা এবং ব্যাংক বীমা শিল্প.কম এর পক্ষ থেকে বর্তমান বীমা সেক্টর এবং ন্যাশনাল লাইফের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম তার কাছে। সে সব কথা সাক্ষাৎকার হিসেবে নিম্মে উপস্থাপন করা হল। সাক্ষাৎকারটি গ্রহন করেছেন ব্যাংক বীমা শিল্প পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আবুল বাশার হাওলাদার।

ব্যাংক বীমা শিল্প : বীমা শিল্পে ন্যাশনাল লাইফের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি ?

জামাল এম এ নাসের : বীমা শিল্পে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের বীমা বাজারে অবস্থান করতেছে। ১৯৮৫ সালের ২৩ এপ্রিল ন্যাশনাল লাইফের প্রথম প্রাইভেট সেক্টর বীমা কোম্পানী হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে এবং যার নেতৃত্বে কার্যক্রম শুরু হয়েছিল তাকে আমরা অনেকেই চিনি তিনি আলহাজ্ মজিবুল হায়দার চৌধুরী, এম. হায়দার চৌধুরী নামেই অধিক পরিচিত। যিনি ন্যাশনাল ব্যাংক তৈরি করেছেন এনসিসি ব্যাংক তৈরি করেছেন, ন্যাশনাল লাইফ তৈরি করেছেন। আরও অগনিত ফিন্যানসিয়াল প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। এই হায়দার চৌধুরী ন্যাশনাল লাইফের শুরু থেকে নৈতিকতা ও নিয়ম কানুন সৃষ্ট্রি করে রেখেছেন বিধায় কোম্পানীর মৌলিক কার্যক্রমটা অনেক ভাল এবং বিশেষ করে ন্যাশনাল লাইফের পর্ষদে যারা আছেন ওনারা সবাই খুবই বিদগ্ধই বলতে হবে ব্যবসায়িক অথবা তাদের ব্যক্তিগত জীবনে। বিশেষ করে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম এমপি সাহেব এই বীমা পেশাকে আরও কার্যকর করার জন্য সঠিক দিক নির্দেশনা দিচ্ছেন এবং আমরা ম্যানেজমেন্টে যারা আছি তারা সঠিকভাবে সেই দায়িত্ব পালন করে ন্যাশনাল লাইফকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি। বর্তমানে বাংলাদেশের বীমার যে ধারা চলতেছে আমি বলব যে একটা জবারবরিহম পরিবর্তন আসছে আস্তে আস্তে। যেমন আগেম্যানুয়েল সিস্টেম ছিল এখন ডিজিটাল সিস্টেম হচ্ছে। এই ধরনের কিছু পরিবর্তন হচ্ছে। আইডিআরএ বিভিন্ন মতামত বিভিন্ন চাহিদা আমাদেরকে দিচ্ছে এবং আধূনিক করনের ব্যাপারে একটা কার্যক্রম চলছে। আমি বলব এইসব মিলিয়ে ন্যাশনাল লাইফ অ্যাক্টিভ পার্টিসিপেশন নিয়ে এই বর্তমান অবস্থাতে কার্যক্রম করছে।

ব্যাংক বীমা শিল্প : কোম্পানীর ব্যবসা সম্পর্কে বলুন?

জামাল এম এ নাসের : কোম্পানীর ব্যবসা সম্পর্কে বলতে গেলে আমি বলব যে, যেকোন কোম্পানীর ব্যবসা হলো একটি সঠিক পরিকল্পনার বিষয়। পরিকল্পনা যদি সঠিক ও ফলপ্রসু হয় তাহলে কোম্পানীর ব্যবসা বৃদ্ধি হতে থাকে এটাই স্বাভাবিক। ন্যাশনাল লাইফ সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে চেষ্টা করে যাচ্ছে ব্যবসা বৃদ্ধির যার ফলে ন্যাশনাল লাইফের ২০১৮ সাল পর্যন্ত লাইফ ফান্ডের পরিমান দারিয়েছে ৩৪৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, মোট সম্পদের পরিমান দারিয়েছে ৪২৬২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, আমাদের গ্রস প্রিমিয়াম হয়েছে ৯৬৬ কোটি ১৪ লাখ টাকা, ২০১৮ সালে আমরা ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম করেছি ২৫০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা, নবায়ন প্রিমিয়াম করেছি ৭০৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, গ্রুপ প্রিমিয়াম করেছি ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা, আমাদের নিট প্রিমিয়াম হয়েছে ৯৬৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং ২০১৮ সাল পর্যন্ত এফডিআর রয়েছে ১৫৪৯ কোটি ৭০ লাখ টাকা, ইনভেস্টমেন্টে রয়েছে ১৪৪৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা।আমাদের ২০১৭ থেকে ২০১৮ সালের ব্যবসা প্রায় ১১% বৃদ্ধি পেয়েছে। আপনারা জানেন যে বাংলাদেশের বীমা বাজার বলতে যেটা বোঝায় আপামর জনসাধারণ যারা বীমার আওতায় আসতে পারে তাদের বেশির ভাগই জীবন বীমা সম্পর্কে অজ্ঞ। বীমা নিয়ে কোন পুঁথিগত শিক্ষা বাংলাদেশে তেমনটা নেই। স্কুল কলেজে তো নেই, ইউনিভার্সিটি লেভেলে যারা কমার্স নিয়ে পড়ালেখা করেন তারা যৎ সামান্য পড়েন। এমনকি সার্বিক অর্থে বীমার ব্যাপক প্রচারনা যেটা দরকার সেটা এখনও বাংলাদেশে হয়ে ওঠেনি। তাই আমি বলব যে বাংলাদেশের বীমা কোম্পানীগুলোতে যে প্রতিযোগীতা হচ্ছে সেটা কিছুটা অসম। সঠিক প্রতিযোগিতা নয়। এই প্রতিযোগিতাকে আমরা অতিক্রম করে আমাদের ব্যবসা আলহামদুলিল্লাহ্ অনেক ভাল। 

ব্যাংক বীমা শিল্প : অধিকাংশ জীবন বীমা কোম্পানীর ১ম বর্ষ প্রিমিয়াম ভাল করলেও নবায়ন প্রিমিয়াম আসেনা। অনেক পলিসি তামাদিও হয়, কারন কি?

জামাল এম এ নাসের : নবায়ন প্রিমিয়াম এবং তামাদির যে প্রশ্ন করা হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে ১ম বর্ষ ভাল এটাই হলো বীমার মূলমন্ত্র। একটা শরীরের একটা অঙ্গ ভাল থাকল আর একটা অঙ্গ ভাল না থাকল সেটা শরীর হয় না। এজন্য যদিও ১ম বর্ষ প্রিমিয়ামে একটা ভাল নাম আছে। একটা মানুষের শরীরে লাল রক্ত হলো মানুষকে বাচানোর জন্য একটা রক্ত প্রবাহ। ঠিক একটা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানীর বেচে থাকার জন্য মূল রক্ত প্রবাহ হচ্ছে ১ম বর্ষ ব্যবসা কিন্তু টিকে থাকার জন্য দরকার হয় সঠিক নবায়ন ব্যবসা এবং কম তামাদি। এইটা আমি মনে করব বাংলাদেশে সঠিক পরিসংখ্যান আমাদের কাছে নেই এবং যে যার মতো করে চেষ্টা করছি ১ম বর্ষ ভাল করলে নবায়নও ভাল করা। তার মধ্যে কেউ কেউ সফল হচ্ছে না কেউ কেউ হচ্ছে। আই ডিআর এর এখন বর্তমান যে চাহিদা আছে যে নবায়ন ভাল করার জন্য যে ঈড়সঢ়ষরধহপব আছে সেখানে যদি আমরা সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে বিশ্লেষণ করি তাহলে আমাদের দেশে নবায়ন ব্যবসাও ভাল হবে এবং বীমা বাজারটি সেভাবে আমাদের কাছে আরও উজ্জ্বল হবে কারণ অনেকেই বুজতে পারছেন যে বাংলাদেশে একটি অবারিত বীমা বাজার আছে সেটা আমরা নিয়ন্ত্রনে আনতে পারলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ অনেক ভাল হবে এবং সরকার এতে অনেক লাভবান হবে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের ঝুঁকি নির্বাহের যে একটা বিষয় থাকে সেটা আরও উন্নত হবে। 

ব্যাংক বীমা শিল্প : সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগ আছে বীমা কোম্পানীগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে। এব্যাপারে আপনি কি বলবেন ?

জামাল এম এ নাসের : অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে যে কথা বলেছেন। অতিরিক্ত ব্যয় আসলে কিছুটা বোঝার ব্যাপার আছে। অতিরিক্ত ব্যয় হচ্ছে অনেক বেশি ভাবে হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে কারও কারও অতিরিক্ত ব্যয় দেখা যাচ্ছেনা। কিন্তু অতিরিক্ত ব্যয়ের বেসিক কারণগুলো সেটা কিন্তু আমাদের খতিয়ে দেখতে হবে সেটা খতিয়ে দেখার ১ম দিক হচ্ছে অতিরিক্ত ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন কোম্পানী যদি হয় সেখানে অতিরিক্ত ব্যয় হয়ে থাকে। একটা নতুন কোম্পানী ৪/৫ বছর ব্যয় সীমা নিয়ন্ত্রন করা কিছুটা সমস্যা হয়ে থাকে। সে জন্যই অ্যাকচুয়ারিয়াল  ভাষায় বলা হয়নিউ বিজনেস স্ট্রেইন অথবা নতুন ব্যবসার যে চাপ সে চাপটাকে বোঝার ক্ষমতা যে সব কোম্পানীর আছে তাদের অতিরিক্ত ব্যয় হয়ে থাকলেও অতিদ্রুত তারা নিয়নন্ত্রনে নিয়ে আসতে পারে। কিন্তু যদি নতুন ব্যবসার কারনে যে অতিরিক্ত ব্যয় হয়ে থাকে নবায়ন বা পরবর্তী কার্যক্রমে তা যদি ঠিক করা না যায় তাহলে অতিরিক্ত ব্যয় বারতেই থাকে এবং সেখানে কোম্পানীর লাইফ ফান্ড বৃদ্ধি পায়না কোম্পানীর অ্যাসেট বৃদ্ধি পায় না। তাই আমি বলব যে অতিরিক্ত ব্যয় নিয়ে কিছু টেকনিক্যাল বিষয় আছে আলোচনা করার সেটা অন্য সময় হয়ত বলা যেতে পারে অথবা আইডিআরএ এ বিষয় নিয়ে কাজ করছে সেখান থেকে এ ধারনাটা আরও বেশি পাওয়া যাবে।

ব্যাংক বীমা শিল্প : দেশের বেকারত্ব দূরীকরনে বীমা কোম্পানীগুলোর কি ধরনের ভুমিকা পালন করে?

জামাল এম এ নাসের : দেশের বেকারত্ব দূরীকরনে বীমা কোম্পানীগুলো যে ভুমিকা পালন করে থাকে সেক্ষেত্রে আমি বলব যে একমাত্র সংস্থা হচ্ছে লাইফ ইন্স্যুরেন্স। লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পক্ষে যত বেকারত্ব ঘুচাবার সুযোগ থাকে সেটা অন্য কোন সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। কারন লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সবচেয়ে সুযোগ হচ্ছে যে এজেন্ট নিয়োগ এমপলয়ার অব এজেন্ট নিয়োগ এবং তদারকী করার মত লোক মাঠ পর্যায়ে কাজ করার মতো সুযোগ থাকে। যেহেতু এজেন্টরা কমিশন পেয়ে থাকে। এই এজেন্ট প্রক্রিয়া অথবা এমপলয়ার অব এজেন্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেহেতু বীমা বিক্রয় হয় এ ক্ষেত্রে যত লোক এখানে প্রয়োজন তত লোক কিন্তু এখন ইন্ডাষ্ট্রিতে নেই। অথবা যারা আছে তারা দে আর নট প্রপারলি ট্রেইন  তাদেরকে আরও প্রশিক্ষন দেওয়ার প্রয়োজন আছে। যদি প্রপারলি ট্রেনিং না হয় তাহলে সেখানে ভাল ভুমিকা রাখতে পারেনা সেজন্য অনেকে পেশার প্রতি মনোযোগি হয় না। পেশা ছেড়ে চলে যায়। পেশামুখি করার জন্য অনেকে বলা হচ্ছে একজন এজেন্ট কেন কাজ করবে সে এজেন্টের ভিতর একটা আস্থা থাকতে হবে যে আমি এ কাজ করলে আমার একটা ভ্যালু ক্রিয়েট  হবে, আমি এ কাজ করলে আর্থিক ভাবে উপকৃত হব এবং আমার সামাজিক মূল্যায়ন হবে। মানুষের হিউম্যান ইন্সট্যান্কট  হলো সামাজিক মূল্যায়ন। যদি তার মূল্যায়নই না থাকে সে এজেন্ট কিন্তু সহজে কাজ করার কথা না।

ব্যাংক বীমা শিল্প : অভিযোগ আছে গ্রাহকরা বীমা দাবী পাচ্ছে না। এ ব্যাপারে আপনি কি বলবেন ?

জামাল এম এ নাসের : এখানে বীমা দাবীর যে কথা বলা হয়েছে বীমা দাবী পাচ্ছেনা কথাটা সাধারণ অর্থে সত্যি কিন্তু দাবীটা প্রথমে দেখতে হবে বীমা দাবী বলতে আমরা কি বুঝি? বীমা দাবি নুন্যতম চার ধরনের হয়। একটা মৃত্যু দাবী, একটা মেয়াদ উত্তীর্ণ দাবী, একটা আংশিক বীমা বা সারভাইভল বেনিফিট দাবী আর একটা ধরেন সারেন্ডার বা অন্যান্য ধরনের বীমা দাবী। এগুলো হলো বীমা দাবী কোনটার কত শতাংশ। এখন যদি বলা হয় যে মৃত্যু দাবী দেওয়া হচ্ছেনা কিন্তু তার সাথে যদি মেয়াদউত্তীর্ন দাবীও না দেওয়া হয় তাহলে সেখানে অনেক বড় সমস্যা। প্রকৃতপক্ষে মৃত্যুদাবী সংখ্যা বেশি নয়। যেমন ন্যাশনাল লাইফে ২০১৮ সালে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা দাবীর মধ্যে মাত্র ২০ কোটি টাকা মৃত্যু দাবী। তো বুজতেই পারছেন পার্সেন্টিজে এটা খুব বেশি নয়। তো আমি বলব সব দাবীকে কগনিজেন্স নিতে হবে। এই দাবীকে এটা নিতে গেলে সব দাবী সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। সঠিক তথ্য থাকতে হবে কম্পিউটারে, সঠিক তথ্য থাকতে হবে কোম্পানীর সকল বিভাগে। সব মিলে সঠিক তথ্য যদি না থাকে তাহলে দাবী বিলম্বিত হবে। যেমন আমাদের ন্যাশনাল লাইফের কথাই বলি। আমাদের পূর্বে দাবী প্রদানে কিছুটা বিলম্ব করত। আমরা কারণ হিসেবে দেখলাম যে কিছু অনিচ্ছাকৃত দাবী বিলম্বিত হয়েছে সেগুলো কি? যেমন ম্যানুয়ালি যখন গ্রাহকরা তাদের দাবী পাওয়ার জন্য আমাদের কাছে দরখাস্ত করত এই প্রোসেস এ গিয়ে কোথাও একটা কাগজ আটকা পরত। হয় আমাদের অফিসে অথবা গ্রাহকের নিজস্ব আঙ্গিনায় নিজস্ব আত্বীয় স্বজনের কাছে। সে দাবীটা না পাওয়ার যে ইধংরপ কারন হচ্ছে দাবীটা সঠিকভাবে কমপাইল করা হত না। দেখা গেল যে তার কাছ থেকে একটা চাহিদা চাওয়া হল যে আপনার একটি সাকসেশন সার্টিফিকেট প্রয়োজন। সাকসেশন সার্টিফিকেট কি সে বোঝেনা অথবা কোন দালালের খপ্পরে পরে দেরি হচ্ছে এটা অনিচ্ছাকৃত কিন্তু ইচ্ছাকৃত যেটা দাবী সেটা হচ্ছে যে ম্যাচিউরিটি দাবী যদি সঠিকভাবে কোম্পানী প্রতিমাসে হিসাব বের করে গ্রাহককে দেবার জন্য পরিকল্পনা করে থাকে সেখান থেকে যদি বলা হয় যে এই মাসে আমার ১ কোটি দাবী আছে সেখান থেকে আমি ৫০ লাখ টাকা দেব আর বাকি ৫০ লাখ টাকা আগামী মাসে দেব সেটাকে ইচ্ছাকৃত দাবী বলা হবে। এগুলো খতিয়ে দেখার ব্যাপার আছে। আমি বলব বর্তমানে দাবী নিয়ে যেভাবে কথা হচ্ছে আইডিআরএ বা আমাদের সমাজে বিভিন্ন মাধ্যমে তাতে মনে হচ্ছে দাবীর ব্যাপারে আমাদের সোচ্চার হওয়ার কারনে কিছুটা দাবী প্রদানের প্রক্রিয়া বেড়েছে। তবে আরও বাড়ানো দরকার। 

ব্যাংক বীমা শিল্প : বর্তমান আইডিআর’র নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপকে আপনি কিভাবে দেখবেন ?

জামাল এম এ নাসের : আইডিআর’র বিভিন্ন পদক্ষেপ অবশ্যই তারা জেনেশুনে পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এই পদক্ষেপগুলোর কারণে আমরা যদি সবাই এ ব্যাপারে আন্তরিক হই তাহলে আমার বিশ্বাস যে এই পদক্ষেপগুলো কার্যকর হবে। আর আইডিআর এর যুগোপযোগি অথবা বেস্ট প্রাকটিসগুলো সারা ওয়ার্ল্ডের এখন অতি গ্রহনযোগ্য একটি শব্দ। বেস্ট প্রাকটিসগুলো যদি আইডিআর এ ধারনা করে নিয়ে যদি তারা পদক্ষেপ নেন হয়তবা আইডিআর এর যে কাঙ্খিত ফলাফল তার থেকেও অনেক ভাল কিছু পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

ব্যাংক বীমা শিল্প : ন্যাশনাল লাইফের ভবিষৎ পরিকল্পনা জানতে চাচ্ছি?

জামাল এম এ নাসের : ন্যাশনাল লাইফের ভবিষৎ পরিকল্পনা হচ্ছে ন্যাশনাল লাইফ মার্কেট লিডার হতে চায়। ন্যাশনাল লাইফ বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছা পুরন করতে চায় বীমা সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে। নতুন পরিকল্প মাঠে ছেড়ে চাহিদা মেটাতে চায়। ন্যাশনাল লাইফ বিশেষ করে যে গ্রাহক আছে এই গ্রাহকদের সন্তুষ্টির সাথে তাদের চাহিদা মেটাতে চায়। সাথে ন্যাশনাল লাইফের যারা কর্মকর্তা কর্মচারী আছে তাদের নিরাপত্তা দিয়ে তাদেরকে ভবিষ্যতে আরও অধিক কর্মমূখি করতে চায়। আর যদি কোথাও ত্রুটি থেকে থাকে নিয়মিত পর্যালোচনার মাধ্যমে ত্রুটি থেকে বের হয়ে আসতে চায়। সোজা কথা বাংলাদেশে বীমা বাজারে ন্যাশনাল লাইফের বর্তমান যে মার্কেট শেয়ার তা থেকে আরও মার্কেট শেয়ার বারাতে চায় এই হলো আমাদের উদ্দ্যেশ্য।

ব্যাংক বীমা শিল্প : বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষকে বীমার আওতায় নিয়ে আসতে কি কি পদক্ষেপ নেয়া দরকার বলে আপনি মনে করেন ?

জামাল এম এ নাসের : বাংলাদেশের সকল মানুষের বীমায় আসতে যে পদক্ষেপ এটা তো অনেক বড় বিষয়। প্রথম কতা হচ্ছে যে মানুষের ভিতরে ট্রাস্ট বৃদ্ধি করতে হবে। দ্বিতীয় বিষয় হচ্ছে যারা বীমার সাথে আমরা কাজ করছি সবাইকে বীমা সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে। বিশেষ করে লাইফ ইন্স্যুরেন্সের টেকনিক্যাল সাইড এবং আইটি প্লাটফরম নিয়ে আইডিয়া থাকতে হবে। কম্পিউটার থেকে যে তথ্য বের হয় যে ডেটা বেইজ ব্যবহ্রত হয় তার সম্পর্কে তথ্য থাকতে হবে। এই তথ্যগুলো সঠিকভাবে জানলে দেশের মানুষের বীমার চাহীদাও বৃদ্ধি করা সম্ভব। যদি কেই একজন যদি বীমা সম্পর্কে না জানে তাহলে বীমা সম্পর্কে ভাল আইন করা তার পক্ষে সম্ভব নয়। এই জন্য বীমার বিষয়ে অধিক প্রশিক্ষন দিতে হবে। কিন্তু প্রশিক্ষন যারা দিবেন তাদের প্রশিক্ষন সঠিক আছে কিনা সেটা আগে যাচাই করতে হবে। যে সকল প্রশিক্ষন ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে আছে তাদেরকেও যাচাই করতে হবে যে তারা এই এজেন্ট প্রশিক্ষন দিচ্ছে ৭২ ঘন্টা। ৭২ ঘন্টা ক’জন কে দিয়ে প্রশিক্ষন দিচ্ছে। তাদেরকি সেই সক্ষমতা আছে যে মানুষকে এই ৭২ ঘন্টার মাধ্যমে সঠিক প্রশিক্ষন দেওয়ার। এগুলো হলো বিচার বিশ্লেষনের ব্যাপার। সকল মানুষকে বীমার আওতায় নিয়ে আসতে হলে সরকারের ক্ষেত্র তৈরী করে বীমাকে বাধ্যতামূলক করতে হবে। স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা যেখানেই বীমার মাধ্যমে সুবিধা পেতে চায় আমাদেরকে আগে দেখতে হবে আমরা টেকনিক্যালি অথবা আমরা সঠিক ব্যবস্থাপনা সঠিক হলো কিনা এটা সরকারকে আগে এনসিওর করে সরকার যদি পদক্ষেপ নেয় আমার মনে হয় বীমা বাংলাদেশে আরও উত্তরন ঘটবে।

ব্যাংক বীমা শিল্প : অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশের বীমা সেক্টরে এ্যাকচুয়ারি সংকট রয়েছে। এ সংকট সমাধানের উপায় কি?

জামাল এম এ নাসের : আর এ্যাকচুয়ারী সংকট এটাতো বলব যে প্রকৃতির একটা ইশারা বাংলাদেশে যে এ্যাকচুয়ারি কম আছে। এটা সমাধানের একমাত্র পথ হচ্ছে যে আমাদের এ্যাকচুয়ারী সৃষ্টি করা। যারা এ্যাকচুয়ারী আছে তাদের মেধা আমাদের আরও বেশি করে ব্যবহার করে বাংলাদেশে বীমার কিছু সমাধান করা প্রয়োজনে আইডিআরএ একটা এ্যাকচুয়ারীর পুল অর্থ্যাৎ যারা বাংলাদেশি অথচ বিদেশে থাকেন তাদেরকে বা পার্শবর্তী অন্য দেশ থেকে এ্যাকচুয়ারী এনে কিছুদিন রেখে তাদের মাধ্যমে এই ইন্ডাস্ট্রিকে সুস্থ করার জন্য ভাল করার জন্য পরামর্শ নেওয়া। এখন যে মাঝে মাঝে বিভিন্ন চিন্তা করা হচ্ছে আইটি বেস এইসব চিন্তা করার আগে দেখতে হবে যে বাংলাদেশের বীমার যে প্রবাহ সে প্রবাহটা সঠিকভাবে আছে কিনা। এবং এর বেশির ভাগই জানার কথা এ্যাকচুয়ারীদের তো আমি বলব এ্যাকচুয়ারিদের মতবিনিময় করা এ্যাকচুয়ারিদের সাথে হালনাগাদ যে বর্তমান দেশবিদেশে যে সব ইন্স্যুরেন্স চলতেছে সেগুলোর আইডিয়া নেওয়া এবং কার্যকরী করার জন্য যারা এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ করে আইডিআরএকে সঠিক প্রশিক্ষন এর মাধ্যমে এই পেশাকে আরো যদি সুসংহত করে তাহলে এ্যাকচুয়ারির কিছু সংকট কমলেও কমতে পারে। এবং সরকারের চেষ্টা করতে হবে এ্যাকচুয়ারীর বিদ্যায় মানুষকে পারদর্শী হওয়ার জন্য সেখানে নিয়মিত একটা রিপোটিং সিস্টেম করে বা মতবিনিময় করে এ্যাকচুয়ারির এরিয়াকে আর তরান্বিত করতে হবে। 

ব্যাংক বীমা শিল্প : ন্যাশনাল লাইফের কর্মকর্তা/কর্মচারী, পলিসি হোল্ডার, শেয়ার হোল্ডারের উদ্দ্যেশে আপনার ম্যাসেজ-

জামাল এম এ নাসের : কর্মকর্তা/কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে আমি বলব বীমা মানে জনগনের সেবা করা এবং এই সেবার মনোভাব নিয়ে সার্বক্ষনিক আমাদের থাকতে হবে। এই সেবার ভিতরে যদি কোন মানসিক সংকট থাকে কিংবা কেউ যদি এটাকে একটু হালকা করে দেখে তাহলে তার উদ্দেশ্য সফল হবে না। তাই আমি বলব যে মানুষের নৈতিকতার যে দুটো বিষয় আছে তার একটা হলো ওয়ার্ক ইথিকস আর একটা হলো ওয়েলথ ইথিকস্ । এই দুটো আমাদের মেনে চলতে হবে। কাজের নৈতিকতা জানতে হবে। সম্পদের নৈতিকতা যেমন চুরি, ডাকাতি, মানুষকে ঠকানো এই সব থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। বীমা কোম্পানীর প্রাণ হলো পলিসি হোল্ডার তাই তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলব ন্যাশনাল লাইফে বীমা করলে বীমার যে কোন দাবী পাওয়া যায় এ ব্যাপারে আমি শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে পারি। শুধু একটাই অনুরোধ বীমা করার সময় আপনারা নিয়ম কানুন ভালভাবে জেনে নিবেন। আপনাদের জন্য সর্বোচ্চ সেবার অঙ্গীকার নিয়েই আমাদের পথ চলা। সম্মানিত শেয়ার হোল্ডারের উদ্দেশ্যে আমি বলব ন্যাশনাল লাইফ নানাবিধ ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং পন্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। ব্যবসা সফল কোম্পানী হিসেবে ধারাবাহিকতা ধরে রাখব। আশা করি ন্যাশনাল লাইফের সাথে থাকলে আপনারা ডিভিডেন্ড গেইন এবং ক্যাপিটাল গেইন দু’টোই অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
 


রিটেলেড নিউজ

 অর্থনৈতিক  বিবেচনায় চার্টার্ড লাইফ শুরু থেকেই সকল প্রকার বীমা সুবিধা দিয়ে আসছে -এস এম জিয়াউল হক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, চার্টার্ড লাইফ ইন্সু্রেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

অর্থনৈতিক বিবেচনায় চার্টার্ড লাইফ শুরু থেকেই সকল প্রকার বীমা সুবিধা দিয়ে আসছে -এস এম জিয়াউল হক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, চার্টার্ড লাইফ ইন্সু্রেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

Bank Bima Shilpa

সামাজিক নিরাপত্তা, সেবার মানুষিকতা নিয়ে দেশ বিদেশের প্রথিতযশা ব্যাক্তিত্বের সমন্বয়ে উভয় পুঁজিব... বিস্তারিত

বাধ্য না হলে কেউ ইন্স্যুরেন্স করতে আসেনা অথচ জীবন ও সম্পদের একমাত্র নিরাপত্তা দেয় ইন্স্যুরেন্স-মো. মোশারফ হোসেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

বাধ্য না হলে কেউ ইন্স্যুরেন্স করতে আসেনা অথচ জীবন ও সম্পদের একমাত্র নিরাপত্তা দেয় ইন্স্যুরেন্স-মো. মোশারফ হোসেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

Bank Bima Shilpa

বিশিষ্ট বীমা ব্যাক্তিত্ব মো. মোশারফ হোসেন নিজ কোম্পানির পাশাপাশি বীমা খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্... বিস্তারিত

টেকসই অর্থনীতির অন্যতম উপাদান বীমা-হাসান তারেক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা : কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

টেকসই অর্থনীতির অন্যতম উপাদান বীমা-হাসান তারেক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা : কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড

Bank Bima Shilpa

হাসান তারেক, নন-লাইফ বীমা সেক্টরের অভিজ্ঞতালব্দ, হাসোজ্জ্যল ও সদালাপী একজন উদীয়মান বীমা ব্যক্তিত... বিস্তারিত

পরিবারের সুরক্ষায় জীবন বীমা বাধ্যতামূলক করা হোক

পরিবারের সুরক্ষায় জীবন বীমা বাধ্যতামূলক করা হোক

Bank Bima Shilpa

মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন শাহীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও স্বদেশ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী ল... বিস্তারিত

বীমা এখন সম্মানের পেশা

বীমা এখন সম্মানের পেশা

Bank Bima Shilpa

মোহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা : মেঘনা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড মোহাম্... বিস্তারিত

প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জাতীয় বীমানীতি সফলতার চাবিকাঠি

প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জাতীয় বীমানীতি সফলতার চাবিকাঠি

Bank Bima Shilpa

মোঃ মোশারফ হোসেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা : গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড মো. মোশারফ হোসেন একজন প... বিস্তারিত

সর্বশেষ

পপুলার লাইফের চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৩ কোটি ২১ লক্ষ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ

পপুলার লাইফের চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৩ কোটি ২১ লক্ষ টাকার বীমা দাবি পরিশোধ

Bank Bima Shilpa

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: পপুলার লাইফ ইনস্যুরেন্স কোম্পানী লিমিটেড এর বীমা গ্রাহকের বীমা দাবীর ৩ কোটি ২১ ল... বিস্তারিত

 অর্থনৈতিক  বিবেচনায় চার্টার্ড লাইফ শুরু থেকেই সকল প্রকার বীমা সুবিধা দিয়ে আসছে -এস এম জিয়াউল হক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, চার্টার্ড লাইফ ইন্সু্রেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

অর্থনৈতিক বিবেচনায় চার্টার্ড লাইফ শুরু থেকেই সকল প্রকার বীমা সুবিধা দিয়ে আসছে -এস এম জিয়াউল হক, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, চার্টার্ড লাইফ ইন্সু্রেন্স কোম্পানী লিমিটেড।

Bank Bima Shilpa

সামাজিক নিরাপত্তা, সেবার মানুষিকতা নিয়ে দেশ বিদেশের প্রথিতযশা ব্যাক্তিত্বের সমন্বয়ে উভয় পুঁজিব... বিস্তারিত

বাধ্য না হলে কেউ ইন্স্যুরেন্স করতে আসেনা অথচ জীবন ও সম্পদের একমাত্র নিরাপত্তা দেয় ইন্স্যুরেন্স-মো. মোশারফ হোসেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

বাধ্য না হলে কেউ ইন্স্যুরেন্স করতে আসেনা অথচ জীবন ও সম্পদের একমাত্র নিরাপত্তা দেয় ইন্স্যুরেন্স-মো. মোশারফ হোসেন, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

Bank Bima Shilpa

বিশিষ্ট বীমা ব্যাক্তিত্ব মো. মোশারফ হোসেন নিজ কোম্পানির পাশাপাশি বীমা খাতের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্... বিস্তারিত

পপুলার লাইফের তাকাফুল প্রকল্পের ১৬ লাখ ৪১ হাজার টাকার বীমা দাবি পরিশোধ

পপুলার লাইফের তাকাফুল প্রকল্পের ১৬ লাখ ৪১ হাজার টাকার বীমা দাবি পরিশোধ

Bank Bima Shilpa

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত লাইফ বীমা খাতের কোম্পানী পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম... বিস্তারিত